দেশনতুন খবরবিশেষব্যবসা

চীনকে আবারো বড় ঝাটকা! মোদী সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের দরুন এবার চীনের প্রতি বছর ক্ষতি হবে দু লক্ষ কোটি টাকা..

সম্প্রতি লাদাখকে নিয়ে ভারত এবং চীনের মধ্যে শুরু হওয়া বিবাদ আজ প্রায় দু মাস হতে চলেছে। দিন দিন চীনের সাথে ভারতের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির দিকে এগোচ্ছে, বারবার পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। তাছাড়া কয়েকদিন আগে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল তার জেরে গোটা দেশ চীনের প্রতি ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। আর এই ঘটনার জেরে সকল ভারতীয়রা এখন চীনা পণ্য কে বয়কট করার ডাক দিয়েছেন গোটা দেশজুড়ে।

ইতিমধ্যে চীনও বুঝতে পেরে গেছে তাদের পক্ষে এবার ভারতে ব্যবসা করা খুব একটা সহজ হবে না। তাছাড়া সরকারের তরফ থেকেও এবার দেশীয় পণ্যের উপর জোর দেওয়া হবে এমনটাই জানিয়েছেন মোদীর সরকার। তাছাড়া এর আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফ থেকে আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের ডাক দেওয়া হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে বিদেশী পণ্য বর্জন করে দেশের পণ্যের ওপর বেশি জোর দিতে। তাই এরকম এক পরিস্থিতিতে চীনের যে বড়সড় ক্ষতি হতে পারে যা বলার বাহুল্য রাখে না।

সম্প্রতি এক তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা গেছে গতবছর অর্থাৎ 2019 সালে ভারত চীন থেকে 1.4 লক্ষ কোটি টাকার বিদ্যুতিক পণ্য ক্রয় করেছিল। তবে এবার সেই প্রসঙ্গে ভারত সরকার খুব শীঘ্রই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে যেখানে জানতে পারা যাচ্ছে এবার থেকে ভালো সরকার এই বিদ্যুতিক পণ্য ক্রয় করবে না চীনের কাছ থেকে।যার ফলে এরকম পরিস্থিতি যদি তৈরি হয় তাহলে ভারতের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে চীনের প্রতিবছর দু লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হবে। তবে এখানেই শেষ নয় এর পাশাপাশি চীনের সাথে প্রত্যক্ষ ও অপ্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকা সংস্থাগুলি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।

তার ফলে শাওমি, ভিভো এবং ওপ্পোর মতো স্মার্টফোনের সংস্থাগুলিও চরম সঙ্কটের মুখোমুখি হতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংস্থাগুলি জাতীয় সুরক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই চীনা সংস্থাগুলি আসার পর থেকে ভারতের বিভিন্ন নামি দামি মোবাইল সংস্থা যেমন মাইক্রোম্যাক্স, ইনটেক্স, কার্বন এগুলির বড় ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া এই মুহূর্তে ভারত এখন চীনের জন্য একটি বড় বাজারে পরিণত হয়েছে সুতরাং ভারত সরকারের তরফ থেকে এই চীনা সংস্থাগুলিকে হাটানোর জন্য এরকম এক কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আর আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি এর আগে 2018 সালে ভারতীয় স্মার্টফোন সংস্থাগুলির বাজার ছিল প্রায় 9% তবে 2019 সালে সেটি কমে দাঁড়ায় 1.6% এ তারপর 2020 সালে প্রথম দিকে ভারতীয় স্মার্টফোন সংস্থাগুলি বাজার দাঁড়ায় 1% এ। তবে এক্ষেত্রে স্মার্ট টিভির ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানটি একটু আলাদা যেখানে 2018 সালে ভারতীয় মার্কেটে দেশের স্মার্ট টিভির বাজারে শেয়ার ছিল 6% সেটি পরবর্তীকালে অর্থাৎ 2019 সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে 9%। তারপর 2020 সালে প্রথমদিকে কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং বর্তমানে তার পরিমাণ বাড়িয়েছে 8.5%।

Related Articles

Back to top button