এবার মমতার বিরুদ্ধে ধর্নায় বসলেন চিটফান্ড ক্ষতিগ্রস্তরা। তাদের অভিযোগ “তৃণমূল সবচেয়ে বড় চিটফান্ড”…

লোকসভা নির্বাচন যত কাছে এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক মহল যেন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। সকল পার্টির কার্যকর্তারা তাঁদের প্রচারকার্যে একে অপরের পার্টিকে দোষারোপ করতে দ্বিধাবোধ করছে না। যেমন কে আপনারা সকলেই জানেন রবিবারের ঘটনাকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিটফান্ড কাণ্ডে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসে ছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বনাম সিবিআই কাণ্ডে । এছাড়াও তিনি পরে দিল্লিতে যন্তর মন্তরে সামনে আম আদমি পার্টির ডাকা ধর্নাতেও যোগদান করেছিলেন। আর এই ধর্নাতে উপস্থিত ছিল মোদি বিরোধী অন্যান্য দলের সদস্যসহ নেতা মন্ত্রীরা। তবে রাত কাটতে না কাটতেই মমতার বিরুদ্ধে ধর্নায় বসলেন চিটফান্ড কাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্তরা। আপনাদের বলে রাখি, পশ্চিমবঙ্গে চিট ফান্ডকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার যন্তর মন্তরে সামনে ধর্নায় বসেছেন।

 

 

 

তাদের অভিযোগ তৃণমূল সবচেয়ে বড় চিটফান্ড। তারা সারা দিন ধরেই এখানে থাকবে এবং পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাদের অভিযোগ জানাবে এমনটাই জানা যাচ্ছে খবর সূত্রে। আর এদিকে আপনাদের জানিয়ে রাখি বুধবার মোদি বিরোধীরা ধর্নার পরে শরদ পাওয়ারের বাড়িতে বৈঠক ও করেন এই বৈঠকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, এছাড়াও অন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সহ কয়েকজন নেতা কর্মীরা। পরে রাহুল গান্ধীর সাথে এবিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যম কথা বললে জানতে পারা যায় বৈঠক ইতিবাচক ছিল।তিনি আরো জানান বিভিন্ন সংস্থার উপর হামলা করা হচ্ছে একটি কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম করা হবে এর জন্য। তবে তাকে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট এর প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সে প্রশ্নটিকে এড়িয়ে চলে যান।

অপরদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায় কে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সকলের এখন একটাই উদ্দেশ্য মোদি সরকার কে কিভাবে সরানো যায়।এই বিষয়ে আপনাদের কি মতামত তা আমাদের অবশ্যই জানাবেন। আপনাদের মতামত আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Open

Close