জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বেরিয়ে এলো সুপ্রিম কোর্টের রায়, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের জন্য..

এবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেল কেন্দ্র সরকার। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার জম্মু কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় দেওয়ার কথা ছিল আজ সেখানে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় এখন কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না সুপ্রিম কোর্ট। এদিন শীর্ষ আদালত জানায় সরকারকে এখন কিছুটা হলেও সময় দেবার প্রয়োজন আছে।
যেমন কি আপনারা জানেন জম্বু কাশ্মীর থেকে 370 ধারা বিলোপ করা হয়েছে আর আর এই ধারা বাতিল করার আগে থেকেই জম্মু কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিসংখ্যানকে বাড়ানো হয়েছে।

370 বিলোপ করার পরে সেখানে থাকা রাজনৈতিক ও বিচ্ছিন্ন বাদী নেতাদের গৃহবন্দী করে রাখা হয়।এমনকি জম্মু-কাশ্মীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কয়েক জায়গায় জারি করা হয় কার্ফু ও 144 ধারা। ইন্টারনেট, মোবাইল পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল ঈদ উপলক্ষে কড়াকড়ি কে একটু হালকা করা হলেও সেখানে ইন্টারনেট মোবাইল পরিষেবা এখনো পর্যন্ত চালু করা হয়নি।আরদিন শেষ হবার পরে সেখানে কড়া টহলদারি করে দেওয়া হয় নিরাপত্তা বাহিনীদের।

তবে কিছু আবেদনকারীদের অভিযোগ, জম্মু- কাশ্মীরের মানুষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই তাঁদের আত্মীয়দের। এমনকী নিরাপত্তারক্ষীরাও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। এদিন সরকারপক্ষের আইনজীবী বেনুগোপাল জানান যে জম্মু-কাশ্মীরে পরিস্থিতির ওপর সর্বক্ষণ নজর রয়েছে সরকারের তরফ থেকে। আর সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরকার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ বাহিনী তুলে নেবে এমন তাই তিনি দাবি করেন।এই প্রসঙ্গে কথা বলতে চেয়ে বেনুগোপাল মনে করান কাশ্মীরে পুরনো অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, “2016 সালে বুরহান ওয়ানি-সহ 3 জঙ্গির মৃত্যুর পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাস্তায় নেমে পড়ে মানুষ। বিক্ষোভের জেরে 40 জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কারোর মৃত্যু হয়নি।”

আর এরপরই সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে বেরিয়ে আসে তথ্য যেখানে সুপ্রিম কোর্টে তরফ থেকে জানানো হয় জম্মু-কাশ্মীরে পরিস্থিতিকে আরো স্বাভাবিক হতে দেওয়ার জন্য আমাদের সময় দিতে হবে আর যার জন্য আমাদেরকে করতে হবে অপেক্ষা। এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে, ফের আদালতে এসে জানাতে পারে।” দু’সপ্তাহের জন্য এই আবেদন মুলতুবি করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।