বড় খবর-দিল্লির 4 টি জায়গায় জারি করা হলো কারফিউ, হাঙ্গামার চেষ্টা করলেই দেওয়া হল গুলি করার নির্দেশ

গতকাল সোমবার দিন থেকে উত্তরপূর্ব দিল্লির অধিকাংশ জায়গাতেই একের পর এক সংঘর্ষ লক্ষ্য করা যায়। আর আজ মঙ্গলবার দিন সারা দিন এরকম একাধিক জায়গাতেই হামলা বিক্ষোভ লক্ষ্য করা যায় অধিকাংশ জায়গাতেই লাগু করা হয়েছিল 144 ধারা এরই সাথে 35 কোম্পানির আধা সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, তবে এত সব কিছু করেও অবশেষে হিংসাকে ঠেকানো গেল না।এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে দিল্লির এই হিংসার জেরে 11 জনের মত মানুষের প্রাণ গিয়েছে আর এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার জেরে আহত হয়েছে 160 জনেরও বেশি লোক।

দিনভর এইভাবে হিংসা জেরে তোলপাড় হয়েছে দিল্লির একাধিক অংশ। শেষ পর্যন্ত এই হিংসার জেরে উত্তর-পূর্ব দিল্লির চারটি জায়গাতে জারি করা হলো কারফিউ। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে ভজনপুরায়, এই দিন দুই গোষ্ঠীর লোকজন লাঠি রড নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন। চাঁদবাগে দোকানপাট করা হয় ভাঙচুর, সেখানকার মানুষের দাবী পুলিশ এক্ষেত্রে কোনো পদক্ষেপ নেয় নি তাছাড়া পুলিশের সংখ্যাও কম ছিল নাকি সেখানে এমনটাও দাবি করা হয়েছে তাদের তরফ থেকে।

তবে এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়ক জানান দিল্লির হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আমাদেরকে সব রকম সহযোগিতা করে চলেছে গন্ডগোলের জায়গায় উপযুক্ত সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এমনটাই জানান তিনি। তবে সময় অনুযায়ী পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার ফলে দিল্লির চারটি জায়গাতে জারি করা হলো কারফিউ। দিল্লির পুলিশ স্পেশাল সিপি প্রবীণ রঞ্জন সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান এই মুহূর্তে যে চারটি জায়গাতে কারফিউ জারি করা হয়েছে সেগুলির নাম হল চাঁদবাগ, জাফরাবাদ, মৌজপুর, ও করাবল নগরে।

আর এরই সাথে যারা হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করবে তাদের গুলি করার নির্দেশ পর্যন্ত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে এরকম এক পরিস্থিতির জেরে কোনরকম গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। এই দিন টুইট করে তিনি জানান,বিভিন্ন জায়গায় গুজব ছড়ানো হচ্ছে কোন কিছু না দেখে বিশ্বাস করবেন না।তবে অন্যদিকে এ বিষয়ে দিল্লির প্রাক্তন উপ-রাজ্যপাল ও নিজের মতামত প্রকাশ করতে পিছুপা হননি তিনি জানান 24 ঘন্টা আগেই কারফিউ জারি করা উচিত ছিল, বর্তমানে 70 হাজার পুলিশ রয়েছে আর তাদের কে এই মুহূর্তে সমস্ত ভিআইপি ডিউটি থেকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজে লাগানো উচিত ছিল।