দেশনতুন খবরবিশেষভারতীয় সেনা

চীনের বিরুদ্ধে ঘাতক হাতিয়ার কিনতে সেনার জন্য 500 কোটি টাকা এমার্জেন্সি ফান্ডের ঘোষণা মোদী সরকারের..

চীন এবং ভারতের মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে সংঘাত ছিল বরাবরই। এর আগে 1962 সালের চীনের সাথে একবার ভারতের বড় যুদ্ধ হয়। এরপরে ভারতের সাথে চীনের কোনরকম যুদ্ধ হয়নি। কিন্তু এবছরে সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে ফের সংঘর্ষ বাধে। গত সোমবার দিন রাতে যখন দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে তখন ভারতীয় 20 জন জওয়ানের শহীদ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে আর তারপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তারপর থেকে ভারতীয় সেনা তরফ থেকে একটা বড় প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল চীনের বিরুদ্ধে তা এর আগেই স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে।

তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী তো আগেই বলেছেন কোন ভারতীয় জওয়ানের বলিদান ব্যর্থ যাবে না।ভারতের তরফ থেকে পাকিস্তানের উপর যেভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইক করা হয়েছিল তার চেয়েও বড় অ্যাকশন নেওয়া হতে পারে চীনের বিরুদ্ধে এবং তার কাজ সম্ভবত শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত যেমনটা আমরা জানি পাঠানকোট, উরি হামলার কয়েকদিন প্ল্যানিং এর পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল।আর ঠিক তেমনভাবে ভারতের কাশ্মীরের পুলওয়ামায় হামলা করায় পাকিস্তানের উপর ভারতীয় বায়ুসেনা যারা করা হয়েছিল এয়ার স্ট্রাইক।

এখন একটি বড়োসড়ো খবর সামনে এসেছে যেখানে জানতে পারা যাচ্ছে এই গালওয়ান উপত্যকায় চীনের (China) সেনার সাথে জারি থাকা বিবাদের মধ্যে কেন্দ্রের মোদী সরকার (Modi Sarkar) তিন সেনাকে ঘাতক হাতিয়ার কেনার জন্য 500 কোটি টাকার একটি এমার্জেন্সি ফান্ডের মঞ্জুরি প্রদান করেছে। যেহেতু পূর্ব লাদাখে LAC তে চীন নিজেদের সেনাসংখ্যা বাড়িয়েছে যেহেতু এটা দেখে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে তিন সেনার হাতে প্রয়োজনীয় হাতিয়ার আর গোলা-বারুদ তুলে দেওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ANI এর প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা গেছে, এক্ষেত্রে সরকার তিন সেনাবাহিনী কে আরও শক্তিশালী ও খতরনাক করে তুলতেই হাতিয়ার কেনার জন্য 500 কোটি টাকা এমার্জেন্সী ফান্ড এর ঘোষণা করেছেন। তবে এটা প্রথম নয় যখন সরকারের তরফ থেকে এরকম এক এমার্জেন্সি ফান্ড এর ঘোষণা করা হলো এর আগেও কিন্তু সরকারের তরফ থেকে এমার্জেন্সি ফান্ড এর ঘোষণা করা হয়েছে যখন উরি হামলা আর পাকিস্তানের বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইকের পর এরকম এক এমার্জেন্সী ফান্ড এর ঘোষণা করা হয়েছিল।

আর এবার এই পদক্ষেপ তখনই নেওয়া হলো যখন পূর্ব লাদাখে চীন আর ভারতীয় সেনার মধ্যে হওয়া সংঘর্ষ বাঁধলো। এর আগে যখন সরকারের তরফ থেকে এমার্জেন্সি ফান্ডের ঘোষণা করা হয়েছিল সেটির সঠিক ব্যবহার করেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। তখন তারা এই এমার্জেন্সী ফান্ডের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে ঘাতক হাতিয়ার কিনেছিল। যে হাতিয়ার এর মধ্যে জমি থেকে হাওয়াতে আঘাত হানা, আর হাওয়া থেকে হাওয়াতে আঘাত আনা স্পাইস-2000 আর স্ত্রম অ্যাটাক মিসাইল। শুধু তাই নয় এছাড়াও সেনা ইজরালি স্পাইক অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইলও কিনেছিল। সেনা তখন আমেরিকার কাছ থেকে প্রচুর হাতিয়ার কিনেছিল পাকিস্তানে হামলা করার জন্য।

Related Articles

Back to top button