যাদবপুর কাণ্ডে বাবুলকে হেনস্থা করার জন্য অভিযুক্ত দেবাঞ্জন চাইলেন ক্ষমা, বললো নিজেকে অপরাধী বলে মনে হচ্ছে আমার…

ইতিমধ্যে সংবাদ-মাধ্যমে দৌলতে রাজ্যবাসী জেনেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ বাবুল সুপ্রিয় এর উপরে হামলা করেছে দেবাঞ্জন বল্লভ চট্টোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ছবি অনুযায়ী সেখানে লক্ষ্য করা যায় বাবুলের চুল ধরে টানাহেঁচড়া করছে দেবাঞ্জন নামক ছেলেটি। আর ছেলের এইরকম ছবি দেখে তার মা ও নিয়মিত চিন্তায় পড়ে যান , আতঙ্ক ছড়িয়ে ছিল বর্তমান পাড়াতেও। বর্তমানে দেবাঞ্জন এর মা ক্যান্সার আক্রান্ত তার মায়ের নাম রুপালি চট্টোপাধ্যায়।

একে রয়েছে তার রোগের চিন্তা তার ওপর তার ছেলে এরকম কান্ড দেখে তিনি নিয়মিত চিন্তায় ছিলেন। বাবা ও মায়ের একমাত্র সন্তান দেবাঞ্জন বল্লভ। তার বাবা চন্দন বল্লভ বর্ধমান টাউন স্কুলের শিক্ষক। চন্দনবাবু ওই স্কুলেই 1994 সাল থেকে শিক্ষকতা করছেন।রায়নার সহজপুরের আদি বাসিন্দা তিনি। তবে বর্তমানে চন্দনবাবু স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন টাউন স্কুলের স্টাফ কোয়ার্টারে। একমাত্র ছেলে বাড়ি থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে সংস্কৃত কলেজের ভাষা বিজ্ঞানের ছাত্র।

ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে বেশ দিব্যি কাটছিল দিন। কিন্তু বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয়কে প্রায় ছ’ঘণ্টা ধরে আটকে রেখে বিক্ষোভের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে ছেলে দেবাঞ্জন বল্লভের। তারপরই তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুলের কাছে কাতর আবেদন করে জানান দেবাঞ্জন বল্লভের মা বলেন তার ছেলেকে কোন রাজনীতিতে না জড়ানোর, ছোট ছেলে ভুল করে ফেলেছে অনেক কষ্ট করে বড় করেছেন তিনি। ছেলেকে দেখতে চান জীবনে প্রতিষ্ঠিত দেখতে আর ওর জন্যই এই পৃথিবীতে বাঁচতে চান তিনি।

তারপরই লক্ষ্য করা যায় অসুস্থ মায়ের কাতর আর্তিতে সাড়া দিলেন বাবুল। দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবেন না বলেই টুইট করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।চিন্তিত মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন খোদ বাবুল সুপ্রিয়। ছেলের কোনও ক্ষতি করবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা নেবেন না বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বাবুল সুপ্রিয়ের আশ্বাসের পর যদিও কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়েছেন দেবাঞ্জনের মা। তবে এখন যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেখানে দেখা যাচ্ছে মায়ের আর্তির এবার বাবুল সুপ্রিয় এর কাছে ক্ষমা চাইলে হেনস্থা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন বল্লভ চট্টোপাধ্যায়। আজ শনিবার দিন নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস আপডেট করে যেখানে দেবাঞ্জন লিখে আমি এই পোস্টটা লিখছি কারণ আমাকে এখন নিজেকে অপরাধী বলে মনে হচ্ছে আমার এই আচরণের জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।

Related Articles

Close