আবারো বাংলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আশঙ্কা, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা

বছরটা শুরু হবার পর থেকেই দেখতে পাচ্ছি ঘূর্ণিঝড়ের চোখ রাঙানি। গত দুই বছরে যেভাবে ঘূর্ণিঝড় আমাদের ভয় দেখিয়েছে, তাতে করে আমাদের মনের মধ্যে যে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। কিছু বছর আগেও ঘূর্ণিঝড় ছিল আমাদের কাছে একটা অজানা আতঙ্কের মত, কিন্তু এখন এই ঘূর্ণিঝড় আমাদের কাছে জলভাত হয়ে গেছে। কিছুটা আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি ঘূর্ণিঝড়ের কথা শুনতে শুনতে। এবার বছরের তৃতীয় মাসে আরো একটি বড়সড় ঘূর্ণিঝড় আসতে চলেছে এমন খবর পাওয়া গেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে।

১৫ মার্চ এই নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে, যেটি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসবে আন্দামানের দিকে। ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে এবং আন্দামান সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করবে। আন্দামান থেকে ক্রমশ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আগামী ২২ মার্চ এটি বাংলাদেশ অথবা মায়ানমার উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।

এদিকে বসন্তের শুরু হতে না হতেই যেভাবে রোদ চোখ রাঙাতে শুরু করেছে, সেখানে সম্পূর্ণ গ্রীষ্মকালে আমরা কিভাবে বার করব তা সত্যিই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের সকলের কাছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী, এখনই কোন ঘূর্ণি ঝড়ের সম্ভাবনা নেই। কোন ঘূর্ণিঝড় যতক্ষণ না নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, ততক্ষণ সেই ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে কোন কথা বলা অসম্ভব।

আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছেন, বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার আরো বেশি গরম পড়বে। বুধবার সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আগামী কিছুদিনের এই তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এপ্রিল মাসের গোড়ার দিক থেকেই যে আমরা পুরোপুরি গ্রীষ্মের মধ্যে ঢুকে পড়ছি তাই এখন থেকেই বোঝা যাচ্ছে।