ঘনঘন কটন বাড ব্যবহার করেন, হারাতে পারেন শ্রবণশক্তি

অনেকেরই অভ্যাস আছে ঘন ঘন কান পরিস্কার করা৷  কানের ময়লা পরিষ্কার করা হোক এমনি কোন কারন ছাড়াই অনেকেই সারাক্ষণ কটনবাড দিয়ে কানের মধ্যে আঙ্গুল চালাতে থাকেন।  কানের ভিতর কটন বাডের নড়াচড়ায় আরাম হয় ঠিকই কিন্তু এতে আপনি নিজেই বিপদ ডেকে আনছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন কটনবাড ব্যবহার করলে কানের মারাত্মক ক্ষতি হয়। কানে যন্ত্রণা, কান ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়।  এর ফলে কানের ময়লা পরিষ্কার হবার থেকেও সেই ময়লা কানের আরো ভেতরে ঢুকে যায়।  কানের পর্দার একেবারে কাছাকাছি এই ময়লা পৌঁছে যায়।  প্রতিনিয়ত ব্যবহার করার ফলে কর্ণ গহ্বরে  ধাক্কা লাগে। বেশি জোরে ধাক্কা লাগলে থেকে রক্ত বেরিয়ে যেতে পারে।

 

কানের মধ্যে অনেক সূক্ষ্ম শিরা এবং অস্থি রয়েছে।  এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ইয়ার বাড দিয়ে কান খোঁচালে৷ এর ফলে আপনি শ্রবণশক্তি হারাতে পারেন।  অনেক সময় এগুলো নোংরা লেগে ইনফেকশন হতে পারে।  কানে ব্যাকটেরিয়া ঢুকতে পারে।  এবং সেই ব্যাকটেরিয়ায় ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর ইনফেকশন তৈরি করতে পারে।

2017 সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে,  কানের সমস্যার 73% কটনবাড ব্যবহার এর জন্য।  বাচ্চাদের কানের সমস্যার বেশিরভাগই হয় কটনবাড দিয়ে কান পরিষ্কার এর ফলে।  এদিকে চিকিৎসকরা জানান,  এভাবে পরিষ্কার করার কোন প্রয়োজন নেই। কান আপনাআপনি পরিষ্কার হয়ে যায়।

 

SBI home Loans: গ্ৰাহকদের জন্য হোম লোনে বিপুল ছাড়ের ঘোষণা SBI এর, বিস্তারিত জানতে

কীভাবে আপনি বুঝবেন ক্ষতি হচ্ছে কানের?

যদি কখনও কানে যন্ত্রণা হয় বা কান বন্ধ মনে হয়,  শ্রবণশক্তি হ্রাস  পাচ্ছে,  মাথা ঘুরছে,  কানে যন্ত্রণা হলে কি করবেন?

প্রথমে যন্ত্রণা কমানোর জন্য কোন ওষুধ খেতে হবে।  অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।  যদি ভালোভাবে শুনতে না পান  তাহলে আর এক মুহূর্ত দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

 

কান কীভাবে পরিষ্কার রাখবেন?
কানের বাইরের অংশ শরীরে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করতে পারবেন।  আর কানের ভেতরে পরিষ্কার ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন প্রত্যেকদিন।  এছাড়া কানের ভিতরে কয়টা বেবি অয়েল, গ্লিসারিন বা কানের ড্রপ দিতে পারেন।  এতে কানের জমে থাকা ময়লা নরম হয়ে যাবে ফলে খুব সহজেই ময়লা আপনি পরিষ্কার করে ফেলতে পারবেন।