আজই বেরোচ্ছে করোনার ওষুধ! কাজ করবে 100 শতাংশ, প্রেস কনফারেন্সে বড় ঘোষণা বাবা রামদেবের

যত দিন যাচ্ছে ভারতে করোনা পরিস্থিতি আরো সংকট জনক হচ্ছে। প্রত্যেকদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।যেদিন থেকে ভারতে করোনার দাপট দেখা গিয়েছে সেদিন থেকেই ভারতের চিকিৎসক থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীমহল উঠে পড়ে লেগেছে করোনার ওষুধ আবিষ্কার করার জন্য। করোনা মহামারী যেন গোটা বিশ্বকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। তবে ধীরে ধীরে এই ভাইরাস কে হারানোর ওষুধ তৈরি হতে শুরু করেছে। আর এবার যোগগুরু রামদেবের কোম্পানি পতঞ্জলির তরফ থেকে দাবি করা হলেও তারা এবার এই করোনার ওষুধ তৈরি করে নিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দিন বাজারে তারা আনতে চলেছেন এই করোনার ওষুধ। এই সংস্থার দাবি করোনিল নামের এই আয়ুর্বেদিক ওষুধটি, ভাইরাস নির্মূল করতে 100% কার্যকারী হবে।আজ উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে পতঞ্জলি যোগপীঠে তেইশে জুন অর্থাৎ মঙ্গলবার দিন এই আয়ুর্বেদিক ওষুধের আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটানো হবে।যদিও এর আগেই পতঞ্জলি সিইও দাবি করেছিলেন তার সংস্থার তরফ থেকে যে ওষুধ নিয়ে আসা হচ্ছে তা পুরোপুরি করোনা দূর করতে সক্ষম হবে।

তাছাড়া এ বিষয়ে যোগগুরু রামদেব বাবা জানিয়েছেন এই আয়ুর্বেদিক ওষুধ যে কোনো করোনা আক্রান্ত রোগীকে দিলে তা 100% সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ওষুধটি তৈরি করতে যেসব ভেষজগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলির মধ্যে রয়েছে অশ্বগন্ধা, গিলয় বা গুলঞ্চ ও তুলসী এমনটাই এই সংস্থার দাবি।যদিও এই বিষয়ে গতকাল সোমবার দিন একটি টুইট করা হয়েছিল বালাকৃষ্ণ তরফ থেকে যেখানে তিনি জানান সর্বপ্রথম কোন ওষুধ বাজারে আনতে পেরে খুবই গর্বিত আমরা। আজ মঙ্গলবার বেলা বারোটার সময় হরিদ্বারে পতঞ্জলি যোগপীঠে লঞ্চ করা হবে বলে জানান তিনি।

আর এই ওষুধ ব্যবহার করলে রোগী 5 থেকে 14 দিনের মধ্যে সেরে উঠবেন। এ বিষয়ে যখন সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে বালাকৃষ্ণ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় তখন তিনি জানান মরণ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পতঞ্জলি তরফ থেকে কয়েকজন গবেষক এর টিম তৈরি করা হয়েছিল যারা এই ওষুধ তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। কীভাবে এই মরন ভাইরাস কে জয় করা যায় তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছিল এতদিন ধরে যার ফলে এখন এই কাজে 100% সাফল্য লাভ করেছে পতঞ্জলি এমনটাই দাবি তার।

 

বাবা রামদেবের দাবি করোনা সংক্রমণ রোধের উপায় জানা আছে শুধু তাই নয় তিনি আরো জানান ভারতীয় আয়ুর্বেদ এইসব সমূলে নষ্ট করে দিতে পারে এই মরন রোগকে। এক্ষেত্রে দুটি গাছের পাতা ছাল শিখর থেকে তৈরি করা এই ওষুধ বা পাতার রস আমাদের ইমিউনিটি শক্তিকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে এই দুই ওষুধি গাছের গুনাগুন আমাদের দেহ কোষের জীবনু নষ্ট করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।