আগামী 2-3 মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে করোনার প্রতিষেধক, আশ্বাস এইমসের ডিরেক্টরের..

করোনা ভাইরাসের জেরে ভারত এখন খুবই সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক দিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দ্রুতগতিতে। ইতিমধ্যেই ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক লক্ষ পেরিয়ে গেছে। ভারতে করোনা সংক্রমণ এতটাই বেড়ে গেছে যে বিশ্বের যে সমস্ত দেশগুলিতে সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হয়েছে তার তালিকায় সাত নম্বরে পৌঁছে গেছে ভারত। এবং আশঙ্কা করছে যে ভবিষ্যতে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। এ নিয়ে চীনের এক গবেষক দল জানিয়েছে, জুন মাস অর্থাৎ চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় করে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন 15 হাজার হতে পারে।

গবেষণায় এই ধরনের তথ্য উঠে আসার পর থেকেই খুবই চাপে রয়েছে ভারত। এটা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে এই গবেষণা সমস্ত ভারতবাসীর মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। কারণ এটা স্পষ্ট ভাবে বুঝা যাচ্ছে প্রতিদিন যদি 15,000 করে আক্রান্তের সংখ্যা হয় তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের দেশ অনেক বড় বিপদের মুখে পড়বে। কিন্তু এছাড়াও আরেকটি স্বস্তির খবর রয়েছে ভারতবাসীর জন্য। সম্প্রতি এইমসের ডিরেক্টর রন্দীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, করোনা প্রতিষেধকের জন্য আর বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না সাধারন মানুষকে।

খুব বেশি হলে দু থেকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে এর জন্য। এই সময়ের মধ্যেই করোনার মোক্ষম অস্ত্র আবিষ্কার হয়ে যাবে। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, করোনা যেভাবে থাবা বসাচ্ছে তাতে তাকে আটকানো একটা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জ আমাদের কাছে। আর আমরা সব সময় চাইব আক্রান্তের সংখ্যা এমন না বেড়ে যায় যাতে হাসপাতালে ভর্তি করা অসম্ভব হয়ে ওঠে। কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে মৃত্যুর হার অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন তিনি। এবং এই বিষয়টা কিছুটা হলেও ইতিবাচক দিক ভারতের জন্য।

যেহেতু ভারতের জনসংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি তাই আক্রান্তের সংখ্যা এইভাবে বাড়ছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানান রন্দীপ গুলেরিয়া। রন্দীপ গুলেরিয়া আরো জানিয়েছেন, যদি এ বছরের মধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক নাও বের হয় তাহলে আগামী বছরের প্রথম দিকে তা আবিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এই পরিস্থিতিতে মানুষকে সচেতন থাকার জন্য বলেছেন তিনি। তিনি বলেছেন এখন করোনার মূল ওষুধ হল মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকার ধীরে ধীরে লকডাউন তুলে নিলেও সাধারণ মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা থেকে শুরু করে মাস্ক পরা পর্যন্ত সবকিছুই লক্ষ্য করে চলতে হবে।

আরও পড়ুন :