রাজস্থানে নিজেদের লোকের কাছে হেরে গেল কংগ্রেস। জিতের আসা হলো সম্পূর্ণ শেষ, এবার এই পার্টি বানাবে সরকার।

যত দিন যাচ্ছে তত কংগ্রেস পার্টির জেতার আশা কমে আসছে, তাহলে এবার কার সরকার রাজত্ব করবে ? রাজস্থান ,মধ্যপ্রদেশ ,ছত্তিশগড় ভোটের জন্য খবরের চর্চা শুরু হয়ে গেছে। মধ্যপ্রদেশের ভোটের পরে এবার ৭ ডিসেম্বর রাজস্থানে যে ভোট হবে তার জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। রাজস্থানের ভোটের আগে কংগ্রেস কে পড়তে হতে পারে সমস্যার সম্মুখীন। টিকিট না মিলার কারণ ১২ জন প্রত্যাশী নেতা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ।এমন অবস্থায় এদের জন্য কোন পার্টির হতে পারে ক্ষতি?

আপনাদের জানিয়ে দি যে, বিজেপি তার ১১ জন নেতাদের বিরোধী দলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাদের পার্টি থেকে বের করে দেয়েছে, আর সেখানে কংগ্রেসের ৩০ জন প্রত্যাশী এমন আছে যারা নির্দলীয় অথবা অন্য দলের হয়ে ভোট লড়বে।আর যেখানে বিজেপি দলের কথা উঠে সেখানে বিজেপির বিধায়ক “ঘনশ্যাম তিয়ারি” নিজেই একটা পার্টি বানিয়ে ভোট লড়ছেন।সেখানে বিজেপির টিকিট থেকে অনেকে বঞ্চিত রয়েছেন । যদি আমরা দুটি দলের বর্গীওদের কথা বলি তাহলে সেখানে বিজেপির চেয়ে কংগ্রেস দলের বর্গীয় সংখ্যা দ্বিগুণ বেশি বলা হচ্ছে।

চিন্তার বিষয় এটাই যে এই বর্গীয়টি কোন পার্টির ওপর প্রভাব ফেলবে ,কোন পার্টির এতে ক্ষতি হবে।

যদিও এই বর্গিওদের জন্য বিজেপির ওপরও একটু প্রভাব পড়তে পারে।তবে যেখানে কংগ্রেসের কথা বলা হচ্ছে তো কংগ্রেসের অনেক বহু নেতা তার নিজের পার্টিকে তুষ্ট করে নির্দলীয় হয়ে ভোট লড়ছেন।আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, বিজেপির ১২ জন নেতা টিকিট না পাওয়ায় নির্দলীয় হয়ে ভোট লড়ছে , আর সেখানে কংগ্রেসের ৩০ জন প্রত্যাশী এমন আছে যাদের টিকিট কাটায় তারা নির্দলীয় অথবা অন্য দলের সঙ্গে ভোট লড়ছে।

কংগ্রেস এবং বিজেপি পার্টিকে তার নিজের দলের নেতাদের জন্য ভুগতে হচ্ছে। যার ফল দুটো পার্টির অধীনেতাদের ভরণ করতে হবে। যদিও অন্য পার্টির তুলনায় কংগ্রেসের জন্য এটি অনেক গম্ভীর কথা।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close