অন্যান্য ইলেক্ট্রিক স্কুটারের তুলনায়ও ola e-scooter রয়েছে একাধিক দুর্দান্ত ফিচার, এক চার্জেই 150 কিলোমিটার

খুব শিগগিরই ভারতের বাজারে আসতে চলেছে ওলার ইলেকট্রিক স্কুটার (ola e-scooter)। আমরা আগেই দেখেছি ওলার এই ইলেকট্রিক স্কুটারের ছবি প্রকাশিত হতে। এছাড়াও জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে টুইটারের মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায় এই সংস্থার সিইও কে এই স্কুটার চালাতে। স্কুটার চড়ে বেঙ্গালুরুর রাস্তাতে সফরে বেরিয়েছেন ভাবিশ। স্কুটারের রেঞ্জ ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। অ্যাকসিলারেশন ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার/ঘণ্টা। স্কুটারের নিচের অংশে হাফ ফেইস ধাকা পড়ার মতো হেলমেট রাখার জায়গা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ইলেকট্রিক স্কুটার যেমন Ather 450X, TVS iQube, Bajaj Chetak EV— এদেরকে টক্কর দিতে এবার বাজারে আসতে চলেছে ওলার এই ই-স্কুটার (ola e- scooter) । ওলার তৈরি এই স্কুটারের ফিচার সম্পর্কে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান ভাবিশ আগরওয়াল জানিয়েছেন যে এই ধরনের আন্ডারসিট স্টোওয়েজ আক্ষরিক অর্থে ‘বেস্ট ইন ক্লাস’। স্কুটারের সিটের নীচে দুটো হেলমেট রাখা যেতে পারে। এছাড়া চাবি ছাড়া অ্যাপের মাধ্যমে (কি-লেস অ্যাপ বেসড অ্যাকসেস) রয়েছে ওলার ই-স্কুটারের তালা খোলার সিস্টেম।

এর পাশাপাশি ‘লং রেঞ্জ চার্জ’ ফিচারও পেতে চলেছে এই ইলেকট্রিক স্কুটার। এই স্কুটারের সাথে যুক্ত হতে চলেছে রিমুভেবল লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি, ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট কনসোল, ক্লাউড কানেকটিভিটি, অ্যালয় হুইল, টেলিস্কোপিক সাসপেনশন আপ ফ্রন্ট এছাড়া আরো অত্যাধুনিক ফিচার।

 

এই স্কুটারের কারখানাটি তৈরি হচ্ছে তামিলনাড়ুতে। কারখানা তৈরির প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষের দিকে রয়েছে। যদি উৎপাদন বৃদ্ধি হয় তাহলে এই কারখানাকে ‘মোস্ট অ্যাডভান্সড গ্রিন ফ্যাক্টরি’ খেতাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ওলা কর্তৃপক্ষ। ওই কারখানার তৈরীর জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে ২৪০০ কোটি টাকা। প্রায় ২০০০ লোকের কর্মসংস্থা হবে এই কারখানায়। ওলা কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা আছে ওই কারখানার ২ মিলিয়ন অর্থাৎ ২০ লক্ষ ইলেকট্রিক স্কুটার নির্মাণ করার‌