পাকিস্তানের সাপ্লাই লাইন কাটল প্রধানমন্ত্রী মোদী, ইমরান বলল ‘সুইসাইড করব”

যেমন কি আপনারা অনেকে হয়তো শুনে থাকবেন পাকিস্তান এই মুহূর্তে কয়েক হাজার কোটি টাকার ঋণের তলায় ডুবে রয়েছে। তাই গোটা পাকিস্তান আজকাল একটি বুলি আউড়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ সেটা হল একপ্রকার সুসাইড।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দ্বারা এখন দেশ সামলানোই যাচ্ছে না। যে হিসাবে তিনি বড় বড় স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন নতুন পাকিস্তান বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সব তার, স্বপ্নই থেকেই যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশে ক্ষমতায় আসার পর তিন মাস পর্যন্ত ইমরান খানের অহংকার বেড়ে গিয়েছিল। তবে তার এই ভুল ভাঙতে বেশি সময় লাগলো না উনিও পাকিস্তানের রূপ সামনে আসতেই প্রকৃত সত্যটা বুঝতে পেরে গেলেন।

 

 

 

আর এই পাকিস্তানের জনতার জন্য ইমরান খানের ক্ষমতা তখনই বোঝা গেল যখন টিভি চ্যানেলগুলোতে দেশ নিয়ে নানারকম চর্চা আর তর্ক শুরু হল। এখন পাকিস্তানের অবস্থা এমন শোচনীয় হয়ে গেছে যে ইমরান খানকে সুসাইড করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আপনাদের সুবিধার্থে বলে দি, এখন পাকিস্তানের মাথায় 30 হাজার বিলিয়ন ঋণ আছে আর 60% জনতা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে পাকিস্তানে। এখন বলতে পারা যায় প্রতিটি পাকিস্তানি আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকার ঋনী। আর এদেশে টাকা গর্তের মধ্যে ঢুকে গেছে। যেমনটা আশঙ্কা করা হচ্ছে 2025 সাল এর মধ্যেই পাকিস্তানের জল শেষ হয়ে যাবে তবে পাকিস্তানি সরকারের এখন তা নিয়ে কোন চিন্তা ভাবনা না করে তারা এখন বোমা,বারুদ আর জঙ্গিপনা ছাড়া কিছুই নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছেন না। আর তাদের এই কাজেই পাকিস্তানকে একটি ভিখারীর দেশ বানিয়ে দিয়েছে।

 

 

এটা বললে খারাপ হবে না যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণেই তা আজ সফল হয়ে উঠতে পেরেছে।যখন দেখতে পাওয়া গেলো পাকিস্তানকে হাজার হাজার বার বুঝিয়ে অর্থাৎ নানা রকম ভাবে কথাবার্তা বলে বোঝানো গেল না তখন তাদেরকে তাদের ভাষায় বোঝাতে হলো। তাদের ভাষাতেই তাদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হল যার প্রভাব সোজাসুজি গিয়ে সীমান্তের ওপারে পরল যেটা ওদের সাত জন্ম পর্যন্ত মনে রাখতে পারবে। আজ থেকে আড়াই বছর আগে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী পাকিস্তান এর থেকে বদলা নেওয়ার সংকল্প নিয়েছিলেন আর তারপরই শুরু হয়েছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। শুধু সীমান্তে না মোদি সরকারের কূটনৈতিক বুদ্ধির ফলে পাকিস্তানকে বিশ্বের প্রতিটি জায়গা থেকে বাইরে জায়গা দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ মোদি সরকারের দরুন প্রথমে সীমান্ত পেরিয়ে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল। রাষ্ট্র সংঘের তরফ থেকে প্রথমবার পাকিস্তানকে জঙ্গির দেশের তামাকা দেওয়া হয়।

 

 

এছাড়া পাকিস্তানকে আমেরিকা কে ফান্ড দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। সার্ক কাউন্ট্রিতে পাকিস্তানকে আলাদা নজর দেখা হল, আর সন্ত্রাস রক্ষার জন্য পাকিস্তানের সাথে আলাদা ভাবে কোনো কথা না বলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আর এটা বলা বাহুল্য হবে যে আজ তা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কূটনৈতিক চাল এর দরুন আর আজ পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গোটা বিশ্বে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Open

Close