করোনা ভাইরাসের আক্রমণের পর চীনে নিখোঁজ 1 কোটি 50 লক্ষ মানুষ! প্রশ্নের মুখে চাইনিজ সরকার..

যে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক নিয়ে গোটা বিশ্ব আজ আতঙ্কিত সেই করোনা ভাইরাসের উৎস হলো চীন। আর এবার চীন থেকে যে তথ্য বেরিয়ে আসছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ এবং গোটা বিশ্বকে চিন্তায় ফেলতে পারে এই তথ্য। কারণ এর আগে চীনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল তাদের দেশে এই করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণের ফলে মারা গিয়েছে 4000 জনের মতো মানুষ, তবে এখন যে তথ্যটি বেরিয়ে আসছে সেখানে জানতে পারা যাচ্ছে চীন যে পরিসংখ্যানটি দিয়েছে সেটি সম্পূর্ণ ভুল মিথ্যে প্রচার করছে তারা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা গেছে চীন তাদের দেশের এই পরিসংখ্যানের সংখ্যাকে লুকিয়ে রেখে ভুয়ো তথ্য প্রকাশ করছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ভারতে যেমন কয়েকটি বড় মোবাইল সংস্থা রয়েছে উদাহরণস্বরূপ জিও, এয়ারটেল, আইডিয়া, ভোডাফোন ইত্যাদি ঠিক সেইভাবে চীনের মধ্যেও রয়েছে তিনটি বড় মোবাইল সংস্থা। আর এবার চীনের এই মোবাইল সংস্থাগুলি তরফ থেকে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

তাদের তরফ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা গেছে 2020 সালের জানুয়ারি মাসের আগে প্রতিমাসে গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছিল তাদের, তবে জানুয়ারি মাস থেকে মার্চের মধ্যে সে ক্ষেত্রে 1 কোটি 50 লক্ষের ও বেশি সক্রিয় গ্ৰাহককে হারিয়ে ফেলেছে তারা।এক্ষেত্রে তারা এই যে 1 কোটি 50 লক্ষের বেশি সক্রিয় গ্রাহক কে হারিয়েছে, তারা কিন্তু প্রতিদিন মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতেন এখন তাদের কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না। আর এক্ষেত্রে তারা সকলেই কিন্তু সক্রিয় ব্যবহারকারী ছিলেন তবে এই মুহূর্তে তাদের সকলেরই মোবাইল বন্ধ রয়েছে।

শুধু তাই নয় আরো একটি খবর যেটি বেরিয়ে আসছে যেখানে শোনা যাচ্ছে এর আগে উহান শহরে বেশ কিছু স্থান রয়েছে যেখানে হাজার হাজার লোকের বাস করত সেখানে এখন কিন্তু আলো জ্বলছে না অথচ বিদ্যুৎ বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই সে জায়গায়।তাই এখন যদি ধরে নেওয়া হয় যে 1 কোটি 50 লক্ষ মানুষ দুটি করে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন তাহলে সে ক্ষেত্রে 75 লক্ষ মানুষের কোন খোঁজখবর নেই আপতত।আর যদি প্রতিক্ষেত্রে ধরা হয় 1 জন ব্যক্তি চারটি করে মোবাইল ব্যবহার করতেন তাহলেও কিন্তু এক্ষেত্রে নিখোঁজ রয়েছেন 37 লক্ষ মানুষ।
তাই বিষয়টি মোটেও সুবিধার নয় বিষয়টি খুবই গম্ভীর লক্ষ লক্ষ মানুষ এভাবে নিখোঁজ রয়েছে অথচ চীন সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে মাত্র 4000 জন লোক নাকি এই ভাইরাসের দরুন মারা গেছে তাদের দেশে। তাই এখন একাধিক মহল থেকে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, চীনের মিডিয়া স্বাধীন না হওয়ার কারণে হয়তো আসল তথ্য দাবা পড়ে গেছে আর তা বেরিয়ে আসা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে। একথা কারও জানতে বাকি নয় যে চীনের গণমাধ্যম বলতে কিছুই নেই সেখানকার মিডিয়া পুরোপুরিভাবে সরকারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে আর এই কারণেই চীন থেকে সহজেই সেই তথ্য বেরিয়ে আসা সম্ভব নয়।

তাছাড়া চীনের তরফ থেকে কয়েক সপ্তাহ আগেই বিদেশীর মিডিয়াগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এখন হঠাৎ করে কীনা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমছে চীনে এরকম তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তাহলে কী চীনের সরকার পুরো বিশ্বে ভুলভাল তথ্য প্রকাশ করছে। যে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল চীন থেকে সেই চীনেই নাকি আজ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমছে অথচ বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে এই করোনা সংক্রমণ তা সত্যিই তাজ্জব করে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে।

Related Articles

Close