রতন টাটার এক পদক্ষেপেই বেসামাল চীন, কী করবে ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছে না জিংপিং সরকার

সমগ্র ভারতীয়দের মনে আশা ও উৎসাহ আবেগের আর এক নাম রতন টাটা। সম্প্রতি টাটাগোষ্ঠী এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা ভবিষ্যতে ভারতে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব তৈরি হতে সাহায্য করবে। তবে ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং হোক বা সেমিকন্ডাক্টর নির্মাণ, ৫-জি নেটওয়ার্ক এই সমস্ত কাজের জন্য সমগ্র বিশ্বকে চীনের ওপর নির্ভর থাকতে হয়। তবে আন্তর্জাতিক মহলের দাবি করণা মহামারীর পর চীনের ভবিষ্যৎ খারাপ হয়েছে ফলে আমেরিকা-ইউরোপ ভারতকে চীনের বিকল্প হিসাবে দেখতে চাইছে।

এতদিন পর্যন্ত ইলেকট্রনিক্স ক্ষেত্রে চীনের অধিপত্য ছিল একতরফাভাবে তার ওপর ৫-জি টেকনোলজি নিয়ে এসে গোটা বিশ্বে দখল করতে চেয়েছিল চীন। তবে এক্ষেত্রে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠে এসেছে ভারতের টাটা গোষ্ঠী। এমনিতেই নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার চীনকে টক্কর দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। যার প্রমাণ হিসেবে ভারতে ট্রায়াল’ হওয়া ৫-জি নেটওয়ার্ক। ভারতে ট্রায়ালের সময় Huawel,Zte এর মত চাইনিজ কোম্পানিগুলিকে ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

ভারতে ৫-জি ট্রায়ালের কাজে হাত বাড়িয়ে চীনকে চমকে দিয়েছে টাটা গোষ্ঠী। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর নির্মাণের ক্ষেত্রে বড় ইনভেস্টমেন্ট করতে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। ফুয়েল প্রেসার সেনসর ডিজিটাল, স্পিডোমিটার নেভিগেশন ডিসপ্লে ইত্যাদির ওপর জোর দিতে চলেছে রতন টাটার কোম্পানি। এতদিন পর্যন্ত সেমিকন্ডাক্টরের ব্যবসায় বার্ষিক ভাবে মোটা অংকের টাকা অর্জন করত চীন। এবার সেই ব্যবসায় চীনকে টক্কর দিতে মাঠে নামতে চলেছে রতন টাটা।

টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন জানিয়েছেন ‘ইতিমধ্যেই পুরো বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন ভেলেনসিং চলছে এমত অবস্থায় সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারলে লাভ আখেরে ভারতেরই হবে’। বর্তমানে টাটা গ্রুপ উচ্চ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক সামগ্রী নির্মাণের ব্যবসা শুরু করেছে। ভবিষ্যতে যা ১ ট্রিলিয়ন জিডিপির তৈরি করতে সক্ষম হবে। এর দ্বারা কয়েক মিলিয়ন কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে চন্দ্রশেখরন জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান ‘যখন স্থায়িত্বের চর্চা হয়, তখন ব্যবসা এমনই হওয়া উচিত যার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী লক্ষ্যে পৌঁছবে’।