নেতাজির এই পদক্ষেপে আজও ভয়ে কাঁপে চীন, আজ থেকে ৭৭ বছর আগে নেওয়া হয়েছিল সেই পদক্ষেপ

চীনের উপদ্রবের কারণে আরো একবার বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে । ভারত ও জাপানের মতো শান্তিপূর্ণ দেশগুলির জমি অন্যায় ভাবে অধিগ্রহণ করে নেওয়ার চেষ্টা করছে চীন৷ সেই সঙ্গে ছোটো ছোটো প্রতিবেশী দেশকেও নিজের বশ্যতা স্বীকার করাতে চাইছে চীন৷ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চীনের সামরিক শক্তির তুলনা হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত ও চীনের সামরিক শক্তির তুলনা, দুই দেশের জনগণের দেশপ্রেম, যুদ্ধের জন্য অনুকূল পরিবেশ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে যুদ্ধে জয়ী হতে গেলে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। স্বস্তির কথা এই যে, সামুদ্রিক দিক থেকে ভারত নৌসেনা বেশ শক্তিশালী এবং চীনকে টেক্কা দিতে যথেষ্ট সক্ষম। সামুদ্রিক ক্ষেত্রে এমন শক্তিশালী হওয়ার পেছনে একটা মূল কারণ ভারতের আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। এবং এই কারণেই চীন কিছুটা সমঝে চলে ভারতকে৷

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

অখন্ড ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জাপানি সেনাদের সাহায্যে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে ইংরেজদের হাত থেকে ছিনিয়ে এনেছিলেন। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ প্রাচীন ভারতের চোল সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। পরবর্তীকালে পর্তুগিজরা এই দ্বীপে আধিপত্য বিস্তার করে৷ এরপর ভারতে মারাঠা সাম্রাজ্য বিস্তার হলে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে নৌসেনার বেস ক্যাম্প করেছিল। এর পরবর্তী সময়ে ইংরেজরা আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দখল করে।

আবারো দলে বড়োসড়ো ভাঙ্গন! ফের তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগদান

 

১৯৪৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভারতের আজাদ হিন্দ সরকার ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে মুক্ত করে আন্দামানে ভারতের পতাকা উড়িয়ে দেয়। এই আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের জন্য সামুদ্রিক এলাকায় ভারতকে ভয় পায় চীন । চীন স্টেট অফ মালাক্কা দিয়ে নিজের ৮০% সামগ্রী আমদানি রপ্তানি করে।

নেতাজি

আন্দামান নিকোবর ভারতের অংশ হওয়ায় ভারত চীনের জাহাজ আটকে দিতে পারে যেকোনো সময়। আমদানি রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে চীনের সমস্যা প্রবল থেকে প্রবলতর হয়ে উঠবে৷ ১৯৬২ সালেও ভারত এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারত। কিন্তু ভারত সরকারের দক্ষ নেতৃত্বের অভাবে তা হয়ে উঠেনি।

চীন