Categories
নতুন খবর বিশেষ রাজ্য লাইফ স্টাইল

অবশেষে স্বস্তি পেল গ্রাহকেরা, বিদ্যুতের বিল নিয়ে বড় ঘোষণা CESC’র…

করোনা আবহে কিছুটা স্বস্তি পেল CESC এর গ্রাহকরা। জানা গিয়েছে গত দুই মাসের বিদ্যুতের বিল আপাতত মেটানোর কোন প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র জুন মাসে যে বিদ্যুতের বিল এসেছে তা মিটিয়ে দিলেই হবে জানানো হয়েছে CESC এর তরফ থেকে। রবিবারে একথা জানায় CESC। তবে শিল্প এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই ছাড় পাওয়া যাবে না বলে জানানো হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে ‘কলকাতার জয়’ বলেছেন। রবিবার সন্ধ্যে বেলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে এই খবর সকলকে জানাই।

এর সাথে বিদ্যুতের বিল জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে ওই সংস্থার তরফ থেকে। এই সমস্ত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে করোনা ভাইরাস এ রাজ্যের যা পরিস্থিতি তার দিকে তাকিয়ে। জুলাই মাসে ওই বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার তরফ থেকে পাঠানো বিল দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়েছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের। কারও বিল এসেছে 15,000 তো কারো বিল এসেছে 20,000। এই করোনা আবহৈ এতটা পরিমাণ বিল দেওয়া যে মুখের কথা নয় তা আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারছি। কারণ এই সময় প্রত্যেকেই বাড়িতে বসে রয়েছেন।


রোজকার প্রায় নেই বললেই চলে অধিকাংশ মানুষের। তাই এতটা পরিমাণ বিল দেওয়া চাপের ব্যাপার। খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রী নিজেও এর থেকে রেহাই পাননি। এমনকি এই প্রসঙ্গে তিনি নিজে CESC এর সঙ্গে কথা বলেন। এরপর ওই সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়, করোনা সংক্রমনের প্রভাবে মার্চ মাস থেকে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তাই সেই মাস থেকে মিটার রিডিং নেওয়া বন্ধ থাকে। তাই আমরা এপ্রিল এবং মে মাসে একটা অনুমান করে বাৎসরিক গড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের অনুসারে বিল পাঠিয়েছে গ্রাহকদের কাছে।

তবে এটি বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অনেক কম। এরপর জুন মাস থেকে আবার মিটার রিডিং নেওয়া শুরু করেছি আমরা। আর এমনিতে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ খরচ একটু বেশি হয়। তাই এতটা পরিমাণ বিল দেখে কার্যত বিরক্ত হচ্ছেন গ্রাহকেরা। অতিরিক্ত পরিমাণ বিদ্যুতের বিল আসা নিয়ে অনেক জায়গায় বিক্ষোভ দেখা যায়। এরপর এই প্রসঙ্গে সরকার CESC কে কড়া বার্তা দেন। এরপর CESC তরফ থেকে রবিবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আপাতত এখন এপ্রিল-মে মাসের বিদ্যুতের বিল মেটাতে হবে না গ্রাহকদের। শুধুমাত্র জুন মাসে ব্যবহার করা বিদ্যুতের বিল মেটাতে হবে গ্রাহকদের।

তবে এমন অনেক গ্রাহকই আছেন যারা ইতিমধ্যেই ওই বাড়তি বিল মিটিয়ে দিয়েছেন। তাহলে তাদের কেউই বাড়তি বিলের টাকা কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে নাকি পরের যে বিল আসবে তার থেকে কেটে নেওয়া হবে সেই সম্পর্কে কিছুই জানায়নি ওই সংস্থা।