কেন্দ্রের বড় ঘোষণা! এক বছর ধরে কাটা হবে বেতন, পাশাপাশি বাড়বে না ডিএ..

গোটা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ফলে ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি। ভারতেও করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ভেঙ্গে পড়েছে অর্থনীতি। যেভাবে এই করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন পালন করা হচ্ছে তাতে দেশের রাষ্ট্র কোষেও টান পড়েছে। একদিকে যেমন দেশের একটি বড় জনসংখ্যার কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে আবার অন্যদিকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে টাকা বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্য কর্মীদের বীমা সবদিক সামাল দিতে চেষ্টায় এখন রাষ্ট্রের অর্থভাণ্ডার প্রতিনিয়ত টান পড়েছে।

আর এর ফলে করোনা যুদ্ধে আগে লক্ষ্য করা গেছে কাটা পড়েছে মন্ত্রী ও সংসদ এর বেতন এবার পালা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। দেশজুড়ে কোভিড 19 এর মোকাবেলা করতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এবার জমা পড়বে পেনশনভোগী ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের একাংশ। এই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের রাজস্ব বিভাগের তরফ থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে যেখানে জানানো হয়েছে এপ্রিল মাসে কর্মীদের একদিনের বেতনের একাশং জমা করা হবে পিএম কেয়ার ফান্ডে।

তবে শুধু এই মাসেই না আগামী এক বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে কর্মীদের একদিনের বেতন কাটা হবে বলে সূত্রের খবর।শুধু তাই নয় এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের আপাতত বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা না দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।আর এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে মূলত অর্থনীতির মন্দার জেরে এবং দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করার জন্যই। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের বেতন এর কিছুটা অংশ কেন্দ্রীয় রাজ কোষের যে হার তা ফেরানোর চেষ্টায় রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব বিভাগের তরফ থেকে একটি সার্কুলার পাঠিয়ে দিয়েছেন যেখানে জানানো হয়েছে রাজস্ব দপ্তরের অফিসার ও কর্মীদের কাছে তারা যেন 2021 সালের মার্চ মাস পর্যন্ত অর্থাৎ আগামী এক বছর প্রতি মাসে এক দিনের বেতন যেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে দান করেন। তবে বেতন কাটার ব্যাপারে এক্ষেত্রে কারো কোন আপত্তি থাকলে তা জানানোর সুযোগ রয়েছে কর্মচারীদের কাছে সে ক্ষেত্রে নিজের এম্প্লয়মেন্ট কোড লিখে অনিচ্ছার কারন সহ রাজস্ব দপ্তরকে চিঠি লিখে 20 ই এপ্রিলের মধ্যে জানানোর কথা বলা হয়েছে।

বিগত বছরের 13 ই মার্চ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় 4% ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা সিদ্ধান্ত করা হয়েছিল যা এই বছর 2020 সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে।কিন্তু এবার এই বর্ধিত অংশ থেকে বর্তমানে বঞ্চিত হতে পারেন কর্মীরা এছাড়াও পেনশনারদের জন্য 4% ডিআর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল তা বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যকর হবার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে দেশজুড়ে লকডাউন এর জেরে বন্ধ রয়েছে সমস্ত কাজকর্ম এক প্রকার থমকে গিয়েছে দেশের অর্থনীতি। অন্যদিকে মহামারী COVID-19 সঙ্গে মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে প্রচুর অর্থের। তাই এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রাজ্য কোষে করুন অবস্থা।