দেশজুড়ে পেট্রোল-ডিজেলের চুরি রুখতে কড়া নিয়ম মোদী সরকারের, এবার থেকে পেট্রোল চুরি করলে বাতিল হবে পাম্পের লাইসেন্স..

প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হবার পর থেকে নরেন্দ্র মোদীকে একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গেছে। কখনো নোট বন্দির মত বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আবার কখনো GST এর মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। আবারো আরেকবার দেশের মানুষের স্বার্থে এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এবার যে পদক্ষেপটি গ্রহণ করা হচ্ছে সেটি হচ্ছে দেশজুড়ে যে পেট্রোল-ডিজেলের চুরি চলছে সেটিকে রুখতে, আর এটিকে রোখার জন্য করা নিয়ম হল কেন্দ্র।

সাধারণভাবে আমরা খুব কম লিটার পেট্রোল -ডিজেল কিনে থাকিঅর্থাৎ বেশিরভাগ মানুষ ভাবতে গিয়ে 100 টাকা 500 টাকা কিংবা 1000 টাকার পেট্রোল কিনে থাকেন। আর এখানেই বিভিন্ন পেট্রোলপাম্পের মালিকসহ, কর্মচারীরা আপনার পেট্রোল চুরি করে থাকে এর আগে বহুবার প্রকাশ্যেও এসেছে।হবে এবার মোদি সরকারের তরফ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পেট্রোলপাম্পে এবার থেকে যদি কোনরকম চুরির অভিযোগ জমা পড়ে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সেই পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের কষ্টের উপার্জন করা টাকা কিছুতেই চুরি হতে দেওয়া যাবে না। আর এবার কেন্দ্রে তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবার থেকে যদি কোন পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে এরকম কোন অভিযোগ দায়ের করা হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে সেই পেট্রোল পাম্প লাইসেন্স আগামী দু’বছরের জন্য বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।হাতিটি দ্বিতীয়বার তার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ দায়ের করা হয় তাহলে চিরজীবনের জন্য বাতিল করে দেওয়া হবে সেই পর্যন্ত লাইসেন্স। আর এটি নতুন গ্রাহক সুরক্ষা আইন 2019 হওয়ার পর থেকেই কার্যকর হওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত এর কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান জানিয়েছেন কোন জিনিসের ক্ষেত্রে তার উপরেই লেখা থাকতে হবে বলে নাম-ঠিকানা, উৎপাদন তারিখ, এবং মেয়াদ শেষের তারিখ ও, সাথে সাথে MRP সহ ওজন, তাছাড়া লেখা থাকবে ভোক্তা অভিযোগ নম্বর ও।আর এই লেখার ক্ষেত্রে যদি কোনরকম কারচুপি করা হয় তাহলে চলবে না স্পষ্ট করে লিখতে হবে এই তথ্যগুলি যাতে সকলেই ভালোভাবে বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারেন। কোনো ভাবে এই নিয়ম না মানলে কঠিন শাস্তি হতে পারে প্রস্তুতকারক ও বিক্রয়কারীর।

তাছাড়া দেশের অর্থমন্ত্রীও কিন্তু কিছুদিন আগেই দেশে ব্যবসা করা প্রতিটি ই-কমার্স সংস্থাকে তাদের পণ্য কোন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে তা জানাতে হবে ক্রেতাকে এমনটাই জানিয়েছিলেন। যেসব পণ্য ইতিমধ্যে নথিভূক্ত রয়েছে তাদের সম্পর্কে ও জানাতে হবে আর কেউ যদি নিয়মিত এই নির্দেশ না মানে তাহলে পোর্টাল থেকে পণ্য সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।