অ্যাকশন মুডে যোগী সরকার,অখিলেশরাজে ১,৪৩৭ কোটি টাকার দুর্নীতি সহ ১৯০ জনের বিরুদ্ধে FIR দায়

উত্তর প্রদেশে ‘গোমতী রিভার ফ্রন্ট প্রকল্প” নিয়ে দুর্নীতির বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার তদন্ত চালাতে গিয়ে CBI একসঙ্গে ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। CBI এই মামলায় ১৯০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। এই প্রকল্পটি সমাজবাদী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের নেতৃত্বে ছিলেন অখিলেশ যাদব। অভিযুক্তদের মধ্যে বেশীরভাগই সুপারিন্টেন্ড ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকরি করেন।

এই প্রকল্পের জন্য মজুত ছিল মোট ১ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে যাবার পরেও ৬০ শতাংশও কাজ না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যে কোম্পানি টেন্ডার করেছিল, সেই কোম্পানিটি হল অসচ্ছ। ২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই দুর্নীতি পুরোপুরি জনসমক্ষে আসে। এরপরই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

যোগী আদিত্যনাথ সরকারের নির্দেশে রাজধানী লখনউয়ের অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ সেচ বিভাগের তরফ থেকে লখনউ-এর গোমতী নগর থানায় মামলা দায়ের করেছিল। সেই কারণেই CBI তদন্ত শুরু করে। ‘গোমতী রিভার ফ্রন্ট প্রকল্প” এর দুর্নীতির জন্য তদন্ত করতে গিয়ে CBI লখনউ, কলকাতা, আলওয়ার, সীতাপুর, রায়বেরালি, গাজিয়াবাদ, নয়ডা, মেরঠ, বুলন্দশহর, ইটাওয়া, আলীগড় এটা, গোরক্ষপুর, মুরাদাবাদ আর আগরা সহ ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালায়।

এই প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ৯৫ শতাংশ প্রকল্পের টাকা খরচ হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই প্রকল্পের টাকা কোথায় গেছে তা তদন্ত করার জন্যই সিবিআই ৪০ টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে। ওই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সরকারের বিরুদ্ধে।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অলোক সিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এই প্রকল্পে এফআই দায়ের করা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। এরপর ৯ জুন ২০১৭ সালে সেচ বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার ডঃ অম্বুজ দ্বিবেদীর বিরুদ্ধে গোমতী নগর থাকার আর্থিক তছরুপ, প্রতারণা সহ অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে সিবিআই এই মামলার তদন্ত করার জন্য ৪০ টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে।