ভারতে WhatsApp ও Facebook কে ব্যান করার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠালো CAIT

WhatsApp তার প্রাইভেসি পলিসি এর মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে যার জেরে বেশ কয়েক দিন ধরে Facebook এর মালিকানাধীন What’s app এর ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। এমন কী What’s app এর এই নতুন প্রাইভেসি পলিসি জেরে ইতিমধ্যে বহু ইউজার এই ইন্সট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের অন্য বিকল্প খুঁজে নিতে শুরু করে দিয়েছে। WhatsApp এর তরফ থেকে এই যে নতুন প্রাইভেসি পলিসি টি আনা হচ্ছে সেটির তীব্র আপত্তি জানিয়েছে একাধিক কোম্পানি।

 

তবে এখন যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ হতে পারে কারণ কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) এর তরফ থেকে সরাসরি ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ কে ব্যান করার দাবি জানানো হচ্ছে। হোয়াটসঅ্যাপ এর তরফ থেকে যে নতুন যে প্রাইভেসি পলিসি টি আনা হয়েছে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে এবার থেকে তারা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ডেটা,কন্টাক্ট, লোকেশন, পেমেন্টের লেনদেন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলি তারা যে কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে।

শুধু তাই নয় হোয়াটসঅ্যাপের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যদি কোনো ব্যবহারকারী এই সমস্ত গাইডলাইন ফলো না করেন তাহলে আগামী ৮ ই ফেব্রুয়ারি থেকে ডিলিট হয়ে যাবে তাদের জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এই পলিশির নিয়ে CAIT এর তরফ থেকেও তীব্র নিন্দা করা হয়েছে এমন কী এই বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ কেও চিঠি লিখেছেন যেখানে তারা What’s app এর এই নীতি না মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছে, এমনকি ভারতে Facebook এবং WhatsApp কে ব্যান করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

তাদের দাবি বর্তমানে ভারতের ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২০ কোটিও বেশি ফলে একটি কোম্পানি যদি এতটা পরিমাণে ব্যবহারকারীদের ডাটা এক্সেস করতে সক্ষম হয় তাহলে সেটি শুধু দেশের অর্থনীতির জন্যই নয় দেশের নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে আগামী দিনে।এমনকি তারা পুরনো দিনের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যেখানে তারা তুলে ধরেছে কেবলমাত্র ব্যবসার উদ্দেশ্যে এসে যেভাবে তারা ভারতের শাসন আক্রমণ চালিয়েছিল ঠিক সেইভাবেই আগামী দিনে হোয়াটসঅ্যাপ-ফেসবুক সেই পথে হাঁটতে চলেছে।

এই মুহূর্তে ডাটার গুরুত্ব অপরিসীম, তাই এই দুই আমেরিকান কম্পানি প্রথমে ভারতে এসে বিনামূল্যে তাদের পরিষেবা দেবে এবং ডেটা সংগ্ৰহ করবার চেষ্টা করবে যেগুলি আগামী দিনে ভারতের বাণিজ্য এবং অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে কাজে লাগাবে তারা।