উত্তরপ্রদেশ যোগীর হাতেই শাসনভার, পাঞ্জাবে পরাজয় হতে পারে কংগ্রেসের বলছে সমীক্ষা

ফের শুরু হতে চলেছে বিধানসভার ভোট। আগামী বছরের শুরুতেই উত্তরপ্রদেশের পাঁচ রাজ্যে হতে চলেছে বিধানসভার ভোট। পুজোর মরসুমের আগেই লোকসভার সেমিফাইনাল ওয়ান অপ শুরু হয়ে যাবে । তবে এই বছর পাঞ্জাবের সি-ভোটারের সমীক্ষা থেকে যথেষ্ট চমক লেগেছে সকলের। সমীক্ষা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের আসনসংখ্যা কমলেও আগামী পাঁচ বছরের জন্য উপযোগী সরকারি আসতে চলেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে জানা যাচ্ছে এই ডামাডোলের বাজারে কংগ্রেসের আসন যথেষ্টই টালমাটাল।

উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাবের কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব বাড়ছে। ফলে ভোটে তাদের জয়ের সম্ভাবনা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। অন্তর দলের মধ্যে বিদ্বেষ করার ফলে ভোটের বাজারে তারা পিছিয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া অমরিন্দর সিং ও নভজ্যোত সিধুর মধ্যে কিছু অসন্তোষ তৈরি হয়েছে । এর ফলে দেখা যাচ্ছে সি-ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী রাজ্যের প্রধান শক্তির মধ্যে উদ্ধার হতে পারে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। মনে করা হচ্ছে পাঞ্জাবের ১১৭ টি আসনের মধ্যে ৫১ থেকে ৫৭ টি আসন পেতে পারে আপ। সেখানে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা হতে পারে ৩৮ থেকে ৪৬।

বর্তমানে এখন সকলেরই নজর ২০২৪ এ লোকসভা ভোটে দিল্লির মসনদে কে বসেন। বর্তমানে পাঞ্জাব কে যদি বাদ দেওয়া হয় তাহলে এখন সর্বপ্রথম সবার নজর উত্তরপ্রদেশের দিকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোভিদ সহ আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে যথেষ্ট চাপে আছে বিজেপি। জনপ্রিয়তা হারিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ । নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী রাজ্যের ৪৪ শতাংশ মানুষই চাইছেন যোগীকে । রাজ্যে বিজেপির আসন কমানোর ইঙ্গিত মিলছে। শতকরা হিসাবে ২৫৯ থেকে ২৬৭ টি আসন পেয়ে লখনউ জিততে পারে বিজেপি। উল্লেখ্য ৫ বছর আগে প্রায় ১৪ বছর পর উত্তরপ্রদেশে ফিরেছিলেন বিজেপি সেক্ষেত্রে তাদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫ টি।

এই সমীক্ষা থেকে যথেষ্ট আশাবাদী সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব ।সমাজবাদী পার্টি আগেরবার ৪৮ টি আসন পেয়েছিল। এইবারের সমীক্ষা অনুযায়ী সমাজবাদী পার্টির আসন সংখ্যা হতে পারে ১১৩ টি । সোনিয়া গান্ধী এবং মায়াবতীর হতাশাজনক ফল হতে পারে এমনটাই মনে করা হচ্ছে । সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের ঝুলিতে আসতে পারে পাঁচটি আসন । কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে মাঠে নামিয়ে ওর সেইভাবে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

আর কিছুদিনের মধ্যেই ভোট প্রচারে নেমে পড়বে গেরুয়া শিবির। সমীক্ষা অনুযায়ী মাঠে নামার আগে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও সমীক্ষার ফল নিয়ে মাথাব্যাথা নেই কংগ্রেসের। সি-ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী সর্বক্ষেত্রেই কংগ্রেস পিছিয়ে। কিন্তু তাও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর এই দল। কংগ্রেস নেতাদের দাবি পাঞ্জাবে এবারও কংগ্রেসই শাসনে ফিরবে।