এবার বাজেটে বাড়তে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় একাধিক সামগ্রীর দাম মধ্যবিত্তদের মাথায় পড়বে হাত….

বর্তমানে দেশের যে আর্থিক অবস্থা তা ভালো যাচ্ছে না এ কথা সবাই বুঝতে পেরেছে। আর তারপর আবার সামনেই বাজেট। আর এরকম এক পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন বাজেট পেশ করতে চলেছে তাই এখন দেশের সকল নাগরিকের নজর থাকবে সেই দিকে। তবে এই বিষয়ে অর্থনৈতিক কারিগরদের প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে যে এবারের বাজেট খুব একটা মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে খুশি করতে পারবে না।

কারণ এইবার যে বাজেটের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাতে শোনা যাচ্ছে যে বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে সাবান-শ্যাম্পু আরো অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র।তবে এক্ষেত্রে যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাতে শোনা যাচ্ছে 2021 সালে এই আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ 12 শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে,আর অন্যদিকে এই ক্ষেত্রে জিনিসপত্রের দাম 5 থেকে 7 শতকরা পর্যন্ত ও আগামী অর্ধবর্ষ থেকে তার বৃদ্ধি 9 শতাংশ হারে দেখা যাবে।

এবার যে বাজেটের পেশকারী হতে চলেছে সেখানে অন্তত 300 টি জিনিসের শুল্ক বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কে উৎসাহ করতে সরকার একাধিক জিনিসের শুল্ক বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর এই একাধিক জিনিসের মধ্যে রয়েছে খেলনা, আসবাব, জুতো, কাগজ, রবার ইত্যাদির নাম।তবে এর ফলে বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে মনে করা হচ্ছে যে এইভাবে শুল্ক বাড়ার ফলে ক্ষুদ্র শিল্প বৃদ্ধি পাবে আরো চাকরির সুযোগ বাড়বে ও দেশের রেভিনিউ উঠে আসবে।

যেমনটা আমরা জানি জুতোর ক্ষেত্রে বর্তমানে রয়েছে 25 শতাংশ শুল্ক তবে এবার যে খবরটি বেরিয়ে আসছে অর্থ মন্ত্রকের তরফ থেকে সেখানে শোনা যাচ্ছে এই শুল্ক বৃদ্ধির হার 35 শতাংশ হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে রবারে টায়ারের জন্য 10 থেকে 15 শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় 40 শতাংশ হতে পারে।আর তারই সাথে এবার কাঠের আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে শুল্ক 20 শতাংশ থেকে বাড়িয়ে 30 শতাংশ পর্যন্ত করা হবে। পেপার বোর্ড বা হাতে তৈরি কাগজের ক্ষেত্রে শুল্কের পরিমাণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি হবে। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাঠের, প্লাস্টিকের বা ধাতব খেলনার ক্ষেত্রে এই শুল্ক বৃদ্ধির পরিমাণ 20 থেকে বাড়িয়ে 100 শতাংশ পর্যন্ত করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।তাই বলা যেতে পারে এইভাবে শুল্ক বৃদ্ধির পরিমাণ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এইসব জিনিসপত্রের। তবে এক্ষেত্রে স্বস্তি দিতে পারে রবি শস্য ও খারিফ শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারণ এই বছর ভালো পরিমাণে বৃদ্ধি হয়েছে এগুলি। তাই এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এবারের বাজেটে বেশ কিছু বড়ো ঘোষণা হতে পারে।