কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভানেত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন সোনিয়া গান্ধী, জল্পনা তুঙ্গে…

যেকোনো সময় কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভানেত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন সোনিয়া গান্ধী এমনটাই খবর প্রকাশ্যে বেরিয়ে আসছে। তিনি জানিয়েছেন আমি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত। কংগ্রেস নেতাদের চিঠির পরেই এমন কথা জানিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী সোমবার দিন কংগ্রেসের কেন্দ্রিয় কমিটির বৈঠক ছিল তার আগেই সোনিয়া গান্ধী এমনটা জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও এর আগে কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে একাধিকবার টানপোড়ন পড়েছে।

 

যেমনটা এর আগে দেখা মিলেছে লোকসভা নির্বাচনের পর সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী আর এরপরই পদের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার তুলে নিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। প্রসঙ্গত গত তিন সপ্তাহ ধরে কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে যেখানে দলের অন্তত 23 জন সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছিলেন যেখানে তারা জানিয়েছিলেন বর্তমানে দলের নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে তাতেই আমরা খুশি নয়। যত দিন যাচ্ছে তত যুবসমাজের আস্থা কমছে তাদের দলের প্রতি।

তারা এই চিঠির মাধ্যমে দলের নেতৃত্বে যে সংকট সেটিকে তাড়াতাড়ি দূর করার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধীকে।আসলে বলা যেতে পারে এই নেতারা কংগ্রেসের বর্তমান নেতৃত্ব এবং কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি কার্যকারিতা নিয়ে এক প্রকার প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই চিঠিতে তারা সই করেছিলেন তাদের মধ্যেই অধিকাংশ ছিলেন হেভিওয়েট তাদের মধ্যে ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেউ বা আবার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবার কেউ কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য আবার কেউ রাজ্য স্তরের বড় নেতারা।

চিঠিতে সাক্ষর করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী আনন্দ শর্মা, কপিল সিব্বল, শশী থারুর, রাজ্যসভায় কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী আজাদ, প্রাক্তন পিসিসি চিফ রাজ বব্বর, কউল সিং ঠাকুর, প্রাক্তন হরিয়ানা স্পিকার কুলদীপ শর্মা, সাংসদ সন্দীপ দীক্ষিত, মুকুল ওয়াসনিক, সাংসদ বিবেক তাঙ্কার মত নেতারা ৷ যার ফলে এটি কে ভালোভাবে নেননি সোনিয়া।পরে এ নিয়ে জবাবও দিতে দেখা যায় সোনিয়া গান্ধীকে যেখানে তিনি জানান দলের নেতৃত্ব দেওয়ার আর কোনো ইচ্ছে নেই এবার নতুন করে দলের জন্য সভাপতি বেছে নেওয়া উচিত।