ব্রেকিংঃ আবারো দু’দফায় বাড়তে চলেছে ফোন কল, ইন্টারনেটের মাসুল! গ্রাহকদের জন্য বড়সড় ধাক্কা…

টেলিকম সেক্টরে জিও পা রাখার পর থেকে একের পর এক অফার এবং কম খরচে ডেটা ও কলের সুবিধা দিয়ে গ্রাহকদের মাতিয়ে রেখেছিল। আর জিওর তরফ থেকে এরকম সুবিধা দেওয়ার পর থেকেই ভোডাফোন- আইডিয়া , এয়ারটেলের তরফ থেকেও তাদের যে প্ল্যান গুলি ছিল সেগুলির দাম কমাতে বাধ্য হয় তারা এবং তারাও জিওকে টক্কর দেবার জন্য ও টেলিকম বাজারে টিকে থাকার জন্য গ্ৰাহকদের সুবিধার্থে কম শুল্কে একের পর এক অফার নিয়ে আসতে থাকে।

তবে যেমনটা আমরা কয়েকদিন আগে থেকেই সম্প্রতি শুনতে পাচ্ছিলাম যেখানে জানা যাচ্ছিল যে এবার আবারো ফোন কল ও ডাটা পরিষেবার মাশুল বৃদ্ধি হতে চলেছে ভবিষ্যতে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে সেখানে তারা জানিয়েছেন এইসব টেলিকম সংস্থাগুলিকে টিকে থাকার জন্য বর্তমানে এই মাশুল বৃদ্ধি অনিবার্য। এ বিষয়ে বিখ্যাত পরামর্শদাতা সংস্থা EY এর বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত সিঙ্ঘল যিনি এমার্জেন্সি মার্কেটস টেকনোলজি, মিডিয়া ও এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন এর লিডার তিনি জানান অবিলম্বে না হলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে একদফায় মাশুল বৃদ্ধি করতে বাধ্য হবে আবারো এই টেলিকম সংস্থাগুলি।

তবে দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জেরেই এ বিষয়টি নতুন দিকে মোড় নেয় যার ফলে এখন বর্তমানে গ্রাহকদের ক্রয় ক্ষমতা কী পরিমানে দাঁড়িয়েছে মাসুল বৃদ্ধির হার এবং সময় তার ওপর অনেকটা নির্ভর করছে বলে জানানো হয়েছে। আর এরকম বর্তমান পরিস্থিতিতে মাসুল বৃদ্ধি করা ছাড়া কোনো উপায় রয়েছে না টেলিকম সংস্থাগুলির কাছে তাই আগামী 12 থেকে 18 মাসের মধ্যে দু-দফাতে বৃদ্ধি হতে পারে এই চার্জ গুলি যা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন EY এর বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত সিঙ্ঘল।এখানেই শেষ নয় তিনি আরো জানান এক্ষেত্রে গ্রাহকদেরকে যদি ভালো পরিষেবা দিতে হয় তাহলে কিন্তু এই টেলিকম সংস্থাগুলিকে তাদের মাসুল বৃদ্ধি করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।

তাছাড়া টেলিকম সংস্থাগুলিকে এই মুহূর্তে বাজারে টিকে থাকার জন্য তার প্রয়োজন রয়েছে। আর যদি করোনা সংক্রমনের পরিস্থিতি তৈরি না হতো দেশজুড়ে তাহলে কিন্তু এর ফল আপাতত দেখতে মিলে যেতো কারণ জুন মাসের মধ্যেই এক দফায় মাসুল বৃদ্ধি করার কথা ছিল টেলিকম সংস্থাগুলির। গত বছর ডিসেম্বর মাসে একদফা মাসুল এক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর এক্ষেত্রে আপাতত আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে প্রতি গ্ৰাহক পিছু আয় 60 থেকে 80 শতাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে টেলিকম সংস্থাগুলি।কারণ বর্তমানে যে পরিমাণ মাশুল দিতে হয় তাতে বিনিয়োগ করা অর্থের নিরিখে সংস্থাগুলি আয় খুব নগণ্য বলে মনে করছেন প্রশান্ত সিঙ্ঘল।

যদিও এক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থা গুলি মাসুল বৃদ্ধির পথে হাঁটবে তবে সরকারি সংস্থা গুলি কোন পথে হাঁটবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো নির্দেশিকা নেওয়া হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি টেলিকম সংস্থাগুলিকে তাদের আর্থিক অবস্থার হাল ফেরাতে মাসুল বৃদ্ধি ছাড়া কোন বিকল্প উপায় থাকছে না।তবে এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের উপর একেবারে সম্পূর্ণ চাপ দিয়ে দেওয়া হবে না বরং এই পদ্ধতিটি সম্পন্ন করা হবে ধাপে ধাপে।

Related Articles

Back to top button