ব্রেকিং খবরঃ চীনকে চাপে রাখতে নতুন কৌশল নয়া দিল্লির, সমুদ্রিক পথে তৈরি হচ্ছে যুদ্ধের মহড়া…

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কারণে সারা বিশ্ব এখন চীনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। গোটা বিশ্ব এখন চীনকে শায়েস্তা করার জন্য তারাও উঠে পড়ে লেগেছে বর্তমানে। অন্যদিকে সীমান্ত নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে যে সংঘর্ষ বেধেছে তার জেরে ভারত সরকারও কিন্তু কোন প্রকারে আর চীনকে বিশ্বাস করতে চাইছে না যার দরুন ভারত সরকারের তরফ থেকে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে। চীনকে অর্থনৈতিক দিক থেকে শায়েস্তা করতে ভারত সরকারের তরফ থেকে একের পর এক বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে কখনও চীনা পণ্য বয়কট করার ডাক আবার কখনো ভারতে চীনের 59 টি চীনা অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ করা।

দিনের- পর-দিন চীনের বিরুদ্ধে একাধিক চাপ বৃদ্ধির নতুন কৌশল নিয়ে আসছে নয়াদিল্লি।আর এখন যে তথ্য বেরিয়ে আসছে সেখানে জানিয়েছে সুনামির পরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমুদ্রের সহযোগিতার জন্য যে সমুদ্রিক মঞ্চ তৈরি হয়েছিল তাকে আবার চাঙ্গা করে তোলা হবে। আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি সেই মঞ্চের অন্যতম সক্রিয় সদস্য ছিল জাপান- আমেরিকা- ভারত -অস্ট্রেলিয়া। এবার এই মঞ্চে যোগাযোগ রেখে তথ্যগত সহযোগিতা পেয়েছে ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। আর এই মুহূর্তে যদি তিক্ত সম্পর্কের কথা বলা হয় চীনের সাথে তাহলে নিউজল্যান্ডকে বাদ দিলে বাকি সমস্ত দেশগুলি এখন চীনের ওপর ক্ষেপে রয়েছে।

আর ঠিক করা হয়েছে মালাবার উপকূলের ঘাটে যুদ্ধের প্রস্তুতি চালাবে দুই দেশ ইতিমধ্যে দুই দেশের মধ্যে নৌ পরিকাঠামো ব্যবহারের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।তাছাড়া আমেরিকা সম্পূর্ণ সজাগ রয়েছে এই বিষয়ে যাতে বিশেষ করে প্রশান্ত মহাসাগরের যে নিয়ন্ত্রণটি রয়েছে যাতে কোন প্রকারে চীনের হাতে না চলে যায়।যার দরুন বেজিংয়ের যুদ্ধজাহাজ দক্ষিণ চীন সাগরে পাঠানোর পরে সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা ছুটে এসেছে আমেরিকার অত্যাধুনিক নৌবহর।যার ফলে এই বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।আর এবার ভারত ও কিন্তু আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া,জাপানের সঙ্গে নতুন করে সমুদ্র সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবেশ গড়ে তুলতে চাইছে।

এদিকে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সেখানে তারা বলেছেন কিন্তু কোন বিনা উদ্দেশ্যে চীন কিছু করে থাকে না আর তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে তার পরে কিন্তু কোন একটি অপারেশনে নামে তাই যদি এই মুহূর্তে ভারত উপত্যাকায় শান্তি ফিরছে বলে বসে থাকে তাহলে সেটি ভারতের ভুল হবে। আর চীন যে পরবর্তী কালে পাল্টা হামলা আনবে না তাও কোন নিশ্চিত নেই তাই সেই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এক্ষেত্রে ভারতের সীমান্ত পরিকাঠামো নির্মাণই চীনকে টেনে এনেছে সংঘর্ষের ময়দানে। ভারতকে তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য সীমান্ত পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে যার ফলে চীন যদি ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো পরিকল্পনা থাকে তাহলে সেটাও ভেঙ্গে দেবার মত শক্তি সঞ্চয় যাতে থাকে ভারতের কাছে। আর এই মুহূর্তে যদি ভারত শক্তিশালী সামরিক জোট গড়ে তোলে তাহলে সেটি কিন্তু ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও ভালো ফল দায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Back to top button