বড় খবর:- নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে জরুরি বৈঠকের ডাক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…

লোকসভার পর এবার রাজ্যসভাতেও পাস হয়ে গেল দেশের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। নাগরিকত্ব সংশোধন বিলটি গতকাল বুধবার দিন রাজ্যসভায় পেশ করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এরপর সেই নিয়ে সারাদিন চলে তর্ক-বিতর্ক তবে অবশেষে রাত্রি আটটা পঁয়তাল্লিশ মিনিট নাগাদ ভোটাভুটির মাধ্যমে পাস হয়ে গেল সেই বিল। এই বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে 125 টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে 105 টি।তবে এবার এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে জরুরি বৈঠকের ডাক দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি এনআরসি থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল কোনটাই সমর্থন জানাবেন না। গতকাল রাজ্যসভায় বিলটি পাস হওয়ার পরই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে উত্তর- পূর্বাঞ্চল থেকে দেশের একাধিক অংশ।আর এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগামী 20 ডিসেম্বর বিকেল 4.30 এর নাগাদ এক জরুরি বৈঠকের ডাক দিলেন। আর এই বৈঠকে জেলাস্তরে নেতৃত্ব থেকে সাংসদ এবং বিধায়ক সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইতিমধ্যে গতকাল বিলটি রাজ্যসভায় পাশ হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে অসম জারি করা হয়েছে সেখানে কার্ফু। সেনার টহলদাড়ি চলছে গুয়াহাটির রাজপথে-সড়কে।আর এরই সাথে সরকারি ঘোষণা অনুসারে বন্ধ রাখা হয়েছে সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কে। ফলে গোটা রাজ্য জুড়ে একটি অঘোষিত বন্ধের ছবি লক্ষ্য করা যাচ্ছে গুয়াহাটির শহরে।প্রাপ্ত খবর থেকে এটাও জানতে পারা যাচ্ছে যে ত্রিপুরা অসমের পর এবার অরুণাচল প্রদেশেও ইন্টারনেট পরিষেবা কে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পথে রয়েছে সরকার।

তবে এই বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা করা হয়নি।তবে এটা বলা যেতে পারে যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল কে ঘিরে উত্তপ্ত রয়েছে উত্তর- পূর্বাঞ্চল ভারত এই বিলে ভারতের নাগরিক হিসাবে মেনে নেওয়া হয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান বাংলাদেশ আফগানিস্তান থেকে আসা সংখ্যালঘুদের। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ এই বিলের আদতে দেশে সংখ্যালঘুদের জন্য অবিচার করা হচ্ছে ধর্মের ভিত্তিতে ভারতের নাগরিকতা প্রদান সংবিধানের বিরোধিতা। বিরোধিরা তাদের ডাকা 11 ঘণ্টার বনধ অচল ছিল অসমের পরিস্থিতি।

এরই সাথে বিক্ষিপ্ত হিংসা বিজেপি ও শারিফ অগপ বিধায়ক মন্ত্রী দের উপর হামলা হয়েছে সংঘর্ষ ছড়িয়েছে ত্রিপুরাতেও। অন্যদিকে এই বনধের জেরে প্রভাব পড়েছে এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসায়ীরা। অনেকেই সেনার টহলদারি কারণেই বাড়ি থেকে বের হয়নি ফলে তারাও খোলেননি দোকানদানি। এরই সাথে বন্ধ রয়েছে সরকারি- বেসরকারি, বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলি। অন্যদিকে ডিব্রুগড়ে আপাতত পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।