BREAKING: ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট সহ প্রধানমন্ত্রী মোদীর টুইটার অ্যাকাউন্টে হ্যাকারদের হানা..

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নিজস্ব ওয়েবসাইট সহ টুইটার অ্যাকাউন্টে হ্যাকারদের হানা, হ্যাকাররা কিছু সময়ের জন্য হ্যাক করে নিয়েছিলেন তাঁর অ্যাকাউন্টটি কে। যেখানে হ্যাকার রা কোভিড -19 তহবিলের অনুদানের জন্য তার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রিপ্টো কারেন্সির দাবি করে। তবে অবশ্য কিছুক্ষণ পরে সে টুইটটিকে মুছে দেওয়া হয়। যেখানে হ্যাকাররা বিটকয়েন সম্পর্কিত একাধিক টুইটে হ্যাকাররা লেখেন আমি সবাইকে পিএম ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ড ফর কোভিড-19 তে উদারভাবে অনুদানের জন্য আবেদন জানাচ্ছি আপনারা সকলে সামর্থ্যমতো অনুদান করুন।

 

যদিও বর্তমানে যে ক্রিপ্টোকারেন্সি টুইট গুলি ছিল সেগুলি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে তবে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট এর সঙ্গে যুক্ত এই টুইটার অ্যাকাউন্ট কে ফলো করেন প্রায় আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ জন। যদিও প্রথমে ঘটনাটি অনেকে বুঝতে না পারলেও পরবর্তীকালে বুঝে যান যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে। তবে এখানে শুধু ক্রিপ্টো কারেন্সি এর কথা বলা হয়নি এছাড়াও হ্যাক করা পরে একটি টুইট লেখা হয় যেখানে লেখা ছিল এই অ্যাকাউন্টটি জন উইক হ্যাক করেছে ([email protected]), তবে আমরা পেটিএম মল কে হ্যাক করিনি।

প্রসঙ্গত যেমনটা এর আগে দেখা মিলেছিল গত জুলাই মাসে যেখানে ওয়ার্ন ব্রাফেট, জেফ বেজোস, বারাক ওবামা, জো বিডেন, বিল গেটস এর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট থেকে ক্রিপ্টো কারেন্সি নিয়ে টুইট করা হয়েছিল। এমনকি এর দ্বারা উবের এবং অ্যাপেলের কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলিও প্রভাবিত হয়েছিল। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিজেদেরকে জন উইক গ্রুপ বলে দাবি করেছে এই হ্যাকাররা। প্রসঙ্গত বলে রাখি এই দলের উপর কিন্তু পেটিএম মল এর ডাটা চুরি সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল কিন্তু তারা এই দিন প্রধানমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে জানিয়েছেন পেটিএম এ ডেটা চুরির সাথে তাদের কোনো সংযোগ নেই।

গতবারের হামলার পর ভারতীয় টুইটার অ্যাকাউন্ট ধারীদের কতটা প্রভাবিত হয়েছিল তা জানতে চেয়ে টুইটারকে প্রশ্ন করেছিল কেন্দ্র তবে তার জবাবে টুইটার কর্তৃপক্ষ অভয় প্রদান করেছিল সরকারকে।তবে এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যাওয়াতে দেশে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে টুইটারে তরফ থেকে জানানো হয়েছে তারা এই বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে এবং অ্যাকাউন্ট গুলিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে একথা তারা ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছে এবং এরকম ঘটনা তদন্ত অবিলম্বে শুরু করা হবে কথাও জানানো হয়েছে।

More Stories
যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত এম জে আকবরের ইস্তফা চাইলেন স্বয়ং মোদী নিজে।