ব্রেকিংঃ কোভিড সম্পর্কিত পণ্যগুলির উপর GST ছাড়, ভ্যাকসিনের কর ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শীঘ্রই

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এর নেতৃত্বে আজ শুক্রবার দিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিএসটি কাউন্সিলের 43 তম বৈঠক আয়োজিত করা হয়। আজ এই যে বৈঠকটি আয়োজিত করা হয়েছিল সেখানে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল কোভিড সম্পর্কীত সরঞ্জামের উপর কর হ্রাস করা। আর এই বৈঠক সম্পন্ন হবার পরই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংবাদ মাধ্যমে জানান কোভিড সম্পর্কিত কর বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং সরকারের তরফ থেকে এবার অনুমোদন হিসেবে দেওয়া ত্রাণ সামগ্রীর আমদানিতে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাউন্সিল। এই যে ছাড়ের মেয়াদ সেটি আগামী 31 আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শুধু কোভিড সম্পর্কিত জিনিসেরও উপরই নয় এর পাশাপাশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ওষুধের উপর ও জিএসটি ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান কোভিড সম্পর্কিত পণ্যগুলিতে যে জিএসটি ছাড় সম্পর্কে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যে মন্ত্রিগোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে তারা 8 জুনের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দেবে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রকের সূত্রে খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে এই বৈঠকে এই দিন অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সহ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলির অর্থমন্ত্রী অধিকারীকরা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে রাজ্যগুলির প্রয়োজনীয় কোভিড সম্পর্কিত সরঞ্জাম যেমন ওষুধ, ভ্যাকসিন ইত্যাদির উপর জিএসটি হার কমানোর অনুরোধে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।


অন্যদিকে এই মাসের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখতে দেখা যায় যেখানে তিনি কোভিড চিকিৎসা সরঞ্জাম এর জিএসটি ছাড়ের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আর ঠিক একই কথা পাঞ্জাবের অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন যেখানে তিনি বর্তমান দিনে সাধারণ মানুষের কোভিডে ব্যবহৃত একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উপর জিএসটি ছাড়ের কথা জানান।

যদিও পরবর্তীকালে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর তরফে এই ধরনের সরঞ্জামে জিএসটি ছাড়ার বিষয়টি কার্যত উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির হবে। তাদের দাবি উৎপাদকেরা ইনপুট দেওয়ার কারণে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সময় ক্রেতার ঘাড়ে বাড়তি বোঝা চাপবে।

 

যদিও এই বিষয়ে একাংশের দাবি শুধুমাত্র পণ্য গুলির উপর কর ছাড় দিলে হবে না, এই ধরনের পণ্য উৎপাদনের জন্য যেসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোতে কর অংশ ফেরত দেওয়া হবে। আর এর ফলেই জিরো রেটিং এ এইভাবে সমস্ত কর সরানো সম্ভব হবে এবং পণ্যের দামও আগামী দিনে কমবে।