বলিউডে দিন শেষ শাহরুখ খানের! এসে গিয়েছেন নতুন বাদশা-একের পর এক হিট ছবি রয়েছে ঝুলিতে

সাম্রাজ্য যতই বড় হোক না কেন, একদিন সেখানে নতুন রাজা আসে, একদিন সেই সাম্রাজ্যের পরিবর্তন হয়, যুগ যুগ ধরে এমনটাই চলে আসছে আমাদের এই পৃথিবীতে। এই ঘটনাটি এবার ঘটে গেল বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে। বলিউডের কিং খান বলতে আমরা শুধুমাত্র জানি শাহরুখ খানকে। এক সময় তিনি বলিউডের ওপর রাজত্ব করতেন। কিং অফ রমান্স নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। ৯০ দশকের তরুণ-তরুণীকে প্রেম করতে শিখিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আস্তে আস্তে শাহরুখের আসন যেন টলোমলো হতে শুরু করেছে। কার অতর্কিত আক্রমণে এই অবস্থা হলো বাদশার?চলুন জেনে নি।

আমরা সকলেই জানি গত চার বছর বড় পর্দায় দেখা যায়নি অভিনেতা শাহরুখ খানকে। বেশ কয়েক বছর ধরে যে ক’টি সিনেমা তিনি উপহার দিয়েছেন সকলকে তার প্রত্যেকটি ফ্লপ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ফ্যান সিনেমাটি ফ্লপ হওয়ার পর তিনি নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন বলিউড থেকে। যদিও চলতি বছর থেকে আরো একবার নতুন রূপে আসতে চলেছেন তিনি বলিউডে। কিন্তু কোথাও যেন ছন্দপতন হয়ে গেছে। বয়সের ভারে বাদশার জাদু যেনো আর সেই ভাবে মন্ত্রমুগ্ধ করতে পারছে না দর্শকদের।

তাহলে কিং খান যে শূন্যস্থান তৈরি করে ফেলেছেন সেই শূন্যস্থান পূরণ করবেন এমন দুঃসাহস কার রয়েছে? আছে আছে, এমন মানুষও আছে মশাই। বাদশার স্থান এবার পূরণ করতে আসছেন কার্তিক আরিয়ান। বলিউড পেতে চলেছে নতুন বাদশাহ। কার্তিক যেভাবে একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়ে যাচ্ছে সকলকে, তাতে করে আর কিছু বছরের মধ্যে তিনি যে বলিউডের উপর রাজত্ব করতে পারবেন তা বলাই বাহুল্য।

আরেকটি মিল রয়েছে প্রাক্তন এবং বর্তমানের মধ্যে। শাহরুখ খান এবং কার্তিক আরিয়ান দুজনেই গডফাদার ছাড়া নিজের জায়গা করে নিয়েছেন বলিউডে। কার্তিকের এই স্থান আরও বেশী স্পষ্ট হয়ে যায় যখন অক্ষয় কুমার এবং কার্তিক আরিয়ানের দুটি সিনেমা পাশাপাশি এলে মানুষ কার্তিক আরিয়ানের সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন। ভুলভুলাইয়া টু যখন এসেছিল তখন সকলে ভেবেছিল হয়তো অক্ষয় কুমারকে কখনো ছাপিয়ে যেতে পারবে না এই নতুন ছেলেটি। কিন্তু সবার সেই আশঙ্কা ভেঙে দিয়ে তিনি প্রমাণ করে দিলেন যে দর্শক এখন নতুনত্ব খুঁজছে।

যেখানে কঙ্গনা রানাওয়াত অথবা অক্ষয় কুমার অভিনীত সিনেমা মুখ থুবরে পড়েছে সেখানে একা হাতে একটি পুরো সিনেমাকে কোটি টাকার ব্যবসা করিয়ে দিয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। তবে যাকে নিয়ে এত গুঞ্জন সেই কার্তিক আরিয়ান কিন্তু মোটেই খুশি নয় এই বাদশা অথবা কিং কথাটি শুনতে। তিনি বলেন, যার যার নাম তাকে তাই নামে ডাকা উচিত। ভালোবেসে আমাকে প্রিন্স বলে ডাকলে আমি বেশি খুশি হব।