নতুন খবরবিনোদনবিশেষ

কাশ্মীরি পণ্ডিতের হত্যার প্রতিবাদ নেই কেন? বাম, বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ভিডিও কঙ্গনার

সম্প্রতি কয়েক দিন আগেই সন্ত্রাসীদের হাতে এক কাশ্মীরি পন্ডিত এর হত্যা হয়। এই ঘটনার পর বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এই কাশ্মীরি পন্ডিত এর মৃত্যু নিয়ে সরব হয়। এই ঘটনাটি ঘটে জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলাতে। তিনি সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধান ছিলেন। সন্ত্রাসবাদীরা তাকে গুলি করে হত্যা করেন। তার মৃত্যুকে ঘিরে এই অভিনেত্রী দুঃখ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে কাশ্মীরের হিন্দুরা যাতে নিরাপদে থাকতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেন।

অভিনেত্রী কঙ্কনা রানাওয়াত একটি ভিডিও পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী কাছে কাশ্মীরের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরো অনুরোধ করেন যে, কাশ্মীরে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক এবং তাদের কাছ থেকে যে সমস্ত জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তার সমস্ত ফিরিয়ে দিক আর একটি কাশ্মীরি হিন্দু সাম্রাজ্যের স্থাপন করা হোক। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ওই ভিডিওতে অভিনেত্রী বাম বিচারাধারার সেলেবদের একহাতে নেন এই ঘটনার জন্য।

তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি পোস্টারে বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশ্যে লিখেন যে, ছোট ছোট ইস্যুতে তারা মোমবাতি হাতে নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারেন কিন্তু যেখানে প্রতিবাদ করার কথা সেখানে তারা নিস্তব্ধ।এছাড়াও অপরদিকে প্রখ্যাত বলিউড অভিনেতা অনুপম খের একটি টুইট করে বলেন, “এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত এবং ক্ষোভে রয়েছি। রাজ্যের একমাত্র কাশ্মীরি পণ্ডিত প্রধান কে এই ভাবে হত্যা করা হয়। ওনাকে আমার তরফ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি। আগে যারা বুক চাপড়ে কান্না করে তারাই এখন এই ঘটনার পর কোন কথা বলছে না।

সবাই এখন চুপ করে বসে আছে এর কোনো প্রতিবাদ নেই।” সেই দিনের ঘটনার পর ওই অঞ্চলে এখন কোন কাশ্মীরি পণ্ডিত প্রধান নেই। কারণ কাশ্মীরি পণ্ডিত প্রধানের মৃত্যুর পর তারা আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে গেছে। জঙ্গিরা রাস্তার মাঝে প্রকাশ্যে তাকে হত্যা করেছে। এর আগে 80 দশকে এমন একটি ভয়াবহ কান্ড কাশ্মীরে হয়েছিল। ঠিক আবার ওই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো কাশ্মীরে।

Related Articles

Back to top button