আতঙ্কবাদীদের সমর্থনে দাঁড়ালো চীন! দেশকে ভালোবাসলে বয়কট করুন চীনের প্রোডাক্ট।

মাসুদ আজহার কে আতঙ্কবাদীদের ঘোষণা করলে ততটা প্রভাব পড়বে না। মাসুদ আজহার কে যদি আধিকারিক ভাবে আতঙ্কবাদী ঘোষণা করে দেওয়া হয় তাহলে পাকিস্থানে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকতে হবে তাকে। কিন্তু এখন মাসুদ আজহারের সব থেকে রক্ষা কবজ হয়ে দাঁড়ালো চীন। মোদি সরকার UN এ তে মাসুদ আজহার কে আতঙ্কবাদী ঘোষণা করার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন কিন্তু চীন ভিটো পাওয়ার ব্যবহার করে সেই দাবি অস্বীকার করে দিয়েছে। চীন এই ভিটো পাওয়ার কংগ্রেসের কাছ থেকে পেয়েছে। জহরলাল নেহেরুর অতি চীন প্রেমের জন্য এই ক্ষমতা তারা পেয়েছে। সংযুক্ত রাষ্ট্র সুরক্ষা পরিষদের সামিল হওয়ার জন্য ভারত প্রথমে সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু নেহেরু এই উপহার চীনকে দিয়ে দেয়।

নেহেরুল এই ভুলের জন্যই ভারতের আগে চীন পরমাণু শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। পুলওয়ামার আত্মঘাতী হামলার জন্য ইসলামিক আতঙ্কবাদী জইশ-ই-মোহম্মদ নিজের দায় স্বীকার করেছে। এই আতংবাদি সংগঠনের প্রধান হলেন মাসুদ আজহার। চীন এই জঙ্গী মাসুদ আজহারকে বাঁচানোর জন্য তাদের ভিটো পাওয়ার ব্যবহার করেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রালয় 15 ফেব্রুয়ারি চীনের রাজদূতের সাথে কথা বলেছিল যাতে তারা মাসুদের রক্ষা না করে। কিন্তু চীন ভারতের এই দাবিকে মানা করে দিয়েছে। এর দ্বারা বোঝা যাচ্ছে চীন চাই ভারতের সর্বনাশ হোক। ভারতের সেনা বলিদান হোক বা জনগণ মারা যাবে এতে চীনের কোনও যায় আসে না। চীনের লক্ষ্য হলো, তারা জঙ্গী মাসুদ কে রক্ষা করবে যাতে ভারতের আরো ক্ষতি করতে পারে। অন্যদিকে আমাদের দেশের লোকেরা দিনে কোটি কোটি টাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট কিনছে এবং চীনের অর্থনৈতিক দিক থেকে মজবুত করছে। চীন ভারত থেকে যত টাকা লাভ করে তার কিছু অংশ পাকিস্তানের আতঙ্কবাদীদের দান করে।

প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দেখতে গেলে আতঙ্কবাদী দেয় ফান্ডিং এর পিছনের সরাসরি ভারতীয়দের হাতে রয়েছে। আমাদের বীর জাওয়ানদের রক্ত আমাদেরই হাতে লেগে রয়েছে। এখন সমস্ত ভারতীয়দের কাছে প্রশ্ন, আমরা যদি চাইনিজ প্রোডাক্ট না ব্যবহার করি তাহলে কি আমরা মারা যাবো? চীন কম দামে আপনাকে ভালো প্রোডাক্ট দিচ্ছে এটা হয়তো ঠিকই, কিন্তু তার পরিবর্তে আমাদের দেশের প্রান কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এটা কি আপনি ভেবে দেখেছেন! এখন অনেকেই ভাবছেন, সরকার তাহলে কেন চীনের প্রোডাক্ট ব্যান্ড করছে না? কিন্তু সরকার যথেষ্ট চেষ্টা করছে কিন্তু কংগ্রেস চীনের সাথে এমন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে গেছে যা হঠাৎ করে শেষ করা যাবে না। কিন্তু এটা ঠিক যে মোদি সরকার আসার পর থেকে চীন কোম্পানি গুলো অনেক টায় বাধা পেয়েছে।

বর্তমানে ভারত চীন কে টেক্কা দিয়ে মোবাইল উৎপন্ন কারী দেশ হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।এখন সরকারের পাশাপাশি দেশের একজন নাগরিক হওয়ায় আমাদেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। যেহেতু আমরা দেশের নাগরিক তাই দেশের সুরক্ষার কথা ভাবা আমাদের ও উচিত। চীন ভারতের থেকে কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়ে ভারতকে ক্ষতি করার জন্য জঙ্গিদের সাহায্য করছে। যারা এখন চীনের প্রোডাক্ট ইউজ করছেন তাদেরকে সেই প্রোডাক্ট ভেঙ্গে দেওয়ার কথা বলছি না। কারণ সেই প্রোডাক্ট এর জন্য আপনি আগে থেকে খরচ করে ফেলেছেন। তাই এবার থেকে যখন কোন জিনিস কিনবেন তখন বিবেচনা করে কিনবেন এবং চীনের বর্জন করুন।