নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে শহর জুড়ে সোমবার দিন মহামিছিল করতে চলেছে বিজেপি, দলের নেতৃত্বে থাকবেন জে পি নাড্ডা..

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলি পথে নেমেছে। এবার নাগরিকত্ব আইন এর সমর্থনে পথে নামতে চলেছে বিজেপি। সোমবার কলকাতায় মহা মিছিল অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা। এতদিন কলকাতায় বিরোধীদের মিছিল দেখা যাচ্ছিল। ফলে কলকাতার বুকে মিছিল আর বন্ধ হয় না। কিন্তু মিছিল ঘিরে সাধারণ মানুষের অশান্তি তো বটেই তার সঙ্গে দুর্ভোগ হয়।

তবে যেমন তা আমরা দেখতেই পাচ্ছি সারা দেশজুড়ে নাগরিকত্ব আইন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি শাসকদলও এই আইনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে। আবার জায়গায় তো ছাত্রসমাজ ও এই আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলনে পরপর তিনদিন মিছিলে হেঁটেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস এই আইনের বিরুদ্ধে লাগাতার কর্মসূচি করে যাচ্ছে। কিন্তু অপরদিকে বিজেপি এই আইনে সমর্থনে এখনো পর্যন্ত কোনো বড় মিছিল অনুষ্ঠিত করেনি।

এবার তারা এই আইনের সমর্থনে বড় মিছিল অনুষ্ঠিত করতে চলেছে। বিজেপি সূত্রে খবর পাওয়া গেছে সোমবার নাগরিকত্ব আইন সমর্থনে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মহা মিছিল করবে বিজেপি। বেলা বারোটা নাগাদ এই মিছিল শুরু হবে। বিজেপির এই মহা মিছিলটি সেন্ট্রাল এভিনিউ হয়ে শ্যামবাজার পর্যন্ত যাবে। ফলে ফের আরেকবার কলকাতার সাধারন মানুষদের যানজটের মধ্যে পড়তে হতে পারে।

এর পাশাপাশি রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। লালবাজার সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, এই মিছিলকে ঘিরে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে। সাধারণ মানুষদের যাতে যানজটে পড়তে না হয় তার জন্য মোড়ে মোড়ে থাকবে ট্রাফিক পুলিশ। যদিও শনিবার প্রবল বিক্ষোভের সাক্ষী ছিল কলকাতা শহর। ঐদিন ছাত্র-ছাত্রীদের মিছিল শহীদ মিনার থেকে চাঁদনিচক হয়ে সেন্ট্রাল এভিনিউ তে থামে। আর সেখানেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

পুলিশ প্রশাসন ব্যারিকেড দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জনশ্রুত আটকানোর চেষ্টা করে ফলে উত্তেজনা আরো চরমে পৌঁছে যায়। ব্যারিকেড ভেঙ্গে বহু পড়ুয়া বিজেপির সদর দপ্তরে ঢোকার চেষ্টা করে। এর ফলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পড়ুয়াদের। সেই সময় কেন্দ্রীয় বিরোধী স্লোগানে উত্তাল সেন্ট্রাল এভিনিউ চত্বর। সেন্ট্রাল এভিনিউ তে যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে অফিস সেরে বাড়ি ফেরা মানুষদের চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়।

Related Articles

Close