বিজেপির শিবিরে এলো খুশির মহল, কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় নেতা যোগদান দিলেন বিজেপিতে।

এই সময় সমস্ত দলগুলির নজর রয়েছে 2019 এ হতে চলা লোকসভা নির্বাচনের ওপর। এই বিবেচনায় প্রতিটি দল নিজের নিজের প্রস্তুতিতে লেগে পড়েছে। যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন যে এই সময় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী নরেন্দ্র মোদীর বিজয় রথকে আটকাবার জন্য অন্যান্য পার্টির সাথে জোট বন্ধন করতে দ্বিধাবোধ করেনি। কিন্তু আজ আমরা আপনাদের এমন একটি খবর দিতে যেটা পুরো কংগ্রেস পার্টিকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। এই খবরের অনুসারে কংগ্রেসের এক বড় নেতা কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করে বিজেপির হাত থেমে নিয়েছে। সূত্র অনুসারে এটা জানতে পারা গেছে কংগ্রেস ছেড়ে বরিষ্ঠ নেতা একাই নয় বরং সাথে নিয়ে এসেছে আরও কংগ্রেস সমর্থকদের বিজেপিতে যোগদান করার জন্য‌।


রাজনীতিবীদদের সূত্র অনুসারে জানা গেছে বিজেপিকে হারাবার জন্য কংগ্রেস জোট বন্ধন করার পদক্ষেপ নিতে চলেছে আর এর মধ্যে এই কংগ্রেসের এক বড় নেতা এরকমভাবে কংগ্রেসের হাত ছেড়ে দিল এটা একটা বড় ঢাক্বার চেয়ে কম নয় কংগ্রেসের কাছে। চলুন আপনাদের এই কংগ্রেস নেতার সম্বন্ধে বলা যাক, যিনি এখন কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি দলে যোগদান করেছেন। আপনাদের সুবিধার্থে বলে দি 2004 থেকে 2009 সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের নেতা জিভা ভাই প্যাটেল, যিনি গুজরাটের মেহসানা লোকসভা আসনে বসেছিলেন, তিনি এবার অনেকগুলি সমর্থক নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন।এই কংগ্রেস নেতা জিভা ভাই প্যাটেল বললেন, দেশ ও রাষ্ট্র শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বেই বিকাশ লাভ করতে পারে, অন্য কোনও ব্যক্তির নেতৃত্বের পক্ষে এটি সম্ভব নয়। জীভা ভাই পাতিদার সম্প্রদায়ের একজন বড় নেতা হিসেবে পরিচিত, তার এরকমভাবে কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করাকে কংগ্রেসের পক্ষে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। জীভা মিনা ও কংগ্রেসের মধ্যে মতবিরোধের খবর খুব দীর্ঘ সময় ধরেই শোনা যাচ্ছিল।

2004-2009 সালে আপনার জ্ঞানের ব্যাখ্যা দিন যে, জ্যেষ্ঠ কংগ্রেসের নেতা জীভা ভাই প্যাটেল, যিনি গুজরাটের মেহসানা লোকসভা আসনে বসেছিলেন, বিজেপির পক্ষে বিজেপির অনেক সমর্থক অমৃত শাহের সামনে এসেছিলেন। রাজ্য কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ জাভা মিনা বলেন, দেশ ও রাষ্ট্র শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বেই বিকাশ লাভ করতে পারে, অন্য কোনও ব্যক্তির নেতৃত্বের পক্ষে এটি সম্ভব নয়। জাভা মীনা পাতিদার সম্প্রদায়ের একজন বড় নেতা হিসেবে পরিচিত, তার কংগ্রেসকে কংগ্রেসকে বিপুল ক্ষতির কথা বলা হচ্ছে। জীভা ভাই ও কংগ্রেসের মধ্যে মতবিরোধের খবর খুব দীর্ঘ সময় ধরেই শোনা যাচ্ছিল।