দিল্লি হিংসা নিয়ে গৌতম গম্ভীর সংবাদমাধ্যমকে দিলেন বড় বয়ান, বললেন হিংসায় যেই যুক্ত হোক না কেন তাকে যেন না ছাড়া হয়….

গত দু’দিনের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত এসেছেন আর তারই মধ্যে সোমবার দিন প্রায় সারাদিনই উত্তর পূর্ব দিল্লির একাধিক জায়গায় একের পর এক সংঘর্ষ লক্ষ্য করা যায় যেখানে এই সংঘর্ষের জেরে মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল 7 জন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলের ও নাম রয়েছে যার নাম রতনলাল। এখনো পর্যন্ত এই ঘটনার দরুন আহত হয়েছেন 160 জন, আর এদের মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে পুলিশকর্মী।

তবে এখনো পর্যন্ত 24 ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও জ্বলছে দিল্লি, আর আজ মঙ্গলবার দিন সকালে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরীবাল সহ ,দিল্লির উপরাজ্যপাল, পুলিসের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা একটি বৈঠক ও করেন। যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কে আশ্বাস দেন প্রয়োজনে আরো পুলিশ কর্মী নিয়োগ করা হবে তবে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। কারন সবাই চাইছেন এই হিংসা বন্ধ হোক। তবে এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য পেশ করলেন বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর।

এইদিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিল্লির বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর জানান, যদি কোন ব্যক্তি এই হিংসাতে উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখে থাকেন এবং হিংসাকে বানানোর চেষ্টা করে থাকে তা সে কপিল মিশ্রই হোক বা অন্য কেউ, আর সে পার্টির সদস্যই হোক না কেন তার ওপর কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। এদিকে, দিল্লির বিজেপি প্রধান মনোজ তিওয়ারিও এর আগে কার্যত গৌতম গম্ভীরের সুরেই বলেন, যে দিল্লিতে বিজেপির হারের কারণ নেতাদের প্ররোচনামূলক বক্তব্য। অন্যদিকে দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিসকে অসহায় বলে অভিযোগ করেন কেজরীবাল।

কারণ দিল্লি পুলিসকে সেরকম কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ছিল কেজরীর। কারন পুলিস এক্ষেত্রে বুঝতেই পারছিল না তারা লাঠি চার্জ করবে নাকি কাঁদানে গ্যাস চার্জ করবে। পুলিস কনস্টেবল সহ নিহতরা সবাই আমাদেরই লোক। এই পরিস্থিতি মোটেই সুবিধেজনক মনে হচ্ছে না। তবে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক সারার পর জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনে সেনা নিয়োগ করা হবে, সাথে সাথে প্রয়োজনে পড়লে আরো নিয়োগ করা হবে পুলিশকর্মী তবে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

Related Articles

Close