কীভাবে শুরু হয়েছিল দেশের প্রথম CDS বিপিন রাওয়াত এর ক্যারিয়ার! জানুন তার জীবনের একাধিক অজানা তথ্য

আজ সকালে তামিলনাড়ুতে হওয়া হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গেলেন সস্ত্রীক বিপিন রাওয়াত সহ আরো বেশ কয়েকজন সেনা প্রধান। ইতিমধ্যেই বিপিন রাওয়াতের বাড়িতে পৌঁছে গেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। আজ আমরা কথা বলবো চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ প্রধান বিপিন রাওয়াতের সম্পর্কে নানা অজানা কথা।
১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে ১৬ ই মার্চ দেরাদুনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। বিপিন রাওয়াতের বাবা এল এস রাওয়াতও সেনাবাহিনীতে ছিলেন। বিপিন বাবুর শৈশব কেটেছে সৈন্যদের মধ্যে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় তিনি পেয়েছেন সিমলার সেন্ট এডওয়ার্ড স্কুলে। ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হয়ে তিনি চলে যান দেরাদুনে।

বিপিনবাবুর পারফরম্যান্স দেখে তাঁকে sword of nour দিয়ে ভূষিত করা হয়েছিল। এরপর তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যান আমেরিকা এবং সেখানে তিনি সার্ভিস স্টাফ কলেজে স্নাতক হন। আমেরিকা থেকে ফিরে এসে তিনি যোগদান করেন সেনাবাহিনীতে। গর্খা ১১ রাইফেলসের ৫ তম ব্যাটেলিয়ানে নিযুক্ত হন তিনি। তারপর থেকে শুরু হয়ে যায় তার সামরিক যাত্রা।

রাওয়াতের স্ত্রী মধুলিকা একজন সমাজকর্মী ছিলেন। যিনি বেশিরভাগ ক্যান্সার রোগীদের জন্য কাজ করতেন। ১৯৭৯ সালে মিজোরামের প্রথম পোস্টিং হয়েছিল রওয়াতের। বহু যুদ্ধ মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। কাশ্মীর উপত্যকায় প্রথম জাতীয় রাইফেলে ব্রিগেডিয়ার হয়েছিলেন তিনি। চীন সীমান্তে কর্নেল হিসেবে পদাতিক ব্যাটালিয়নের কমান্ডার ছিলেন তিনি।

তিনি দেরাদুন ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে পদে ছিলেন। সন্ত্রাসবাদ এবং চরমপন্থী কার্যকলাপ মোকাবিলা করার জন্য বহু অপারেশন পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে কঙ্গোতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তি রক্ষা অভিযানে ভারতীয় ব্রিগেডের প্রধান হিসেবে তার নেতৃত্ব রীতিমতো প্রশংসিত হয়েছিল। ২০১৬ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে বিশেষ সেবা পদক, যুদ্ধ সেবা পদক, সেনা পদক এবং বিশেষ সেবা পদক পেয়েছিলেন তিনি।