মাইক্রোসফট সংস্থা ছেড়ে এবার জনহিতকর কাজে মনোযোগ দিবেন বিল গেটস…

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিল গেটসের অবদান রয়েছে বিশ্বজুড়ে। 1975 সালে বিল গেটস সতীর্থ পল অ্যালেনের সঙ্গে জোট বেঁধে তৈরি করেছিলেন মাইক্রোসফট সংস্থাটি। নানান উঠা- পড়ার মধ্যে দিয়ে বছরের পর বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে আমজনতার হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে এই সংস্থা। আর এই মাইক্রোসফটের হাত ধরেই পার্সোনাল কম্পিউটার পৌঁছে গিয়েছে প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে। প্রসঙ্গত বলে রাখি 2000 সাল পর্যন্ত বিল গেটস নিজেই মাইক্রোসফটের সিইও পদে ছিলেন।

তারপর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তিনি ওই সংস্থার বোর্ড সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। মাত্র 31 বছর বয়সেই তিনি সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় বিশ্বের কোটিপতির তালিকায় নিজের নাম লেখান। 2014 সালে সত্য নাডেলার হাতে মাইক্রোসফট সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন। আর এবার সেই মাইক্রোসফট সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বোর্ড অফ ডিরেক্টর এর পদটি ছেড়ে দিলেন। আর সংস্থার তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি ছেড়ে এবার তিনি আরো জনহিতকর কাজে মনোযোগ দিবেন এমনটাই জানিয়েছেন এই মাইক্রোসফট সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা।ইনি microsoft-এর থাকাকালীন সময় থেকেই অর্থাৎ 2004 সাল থেকে সমাজকল্যাণমূলক কাজের উদ্দেশ্যে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।তিনি হলেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন যিনি এসব কাজে অগ্রসর হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গোটা বিশ্বের কাছে।

Advertisements

এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে একটাই আতঙ্ক করোনা ভাইরাস আর এই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে তাঁর ও। তাই তার প্রতিষ্ঠান এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্বের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে আরও জোর দিতে চায়। জানতে পারা গিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শিক্ষা নিয়েও কাজে জোর দেওয়া হবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে।এইদিন বিদায় মঞ্চে তিনি তার বক্তৃতায় রাখতে গিয়ে বলেন, “মাইক্রোসফট আমার কর্মজীবনের একটা বড় অংশ। আর আমি এর জন্য অনেক গর্বিত। সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হলেও আশা করি আমাদের যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা সেটি অটুট থাকবে। বিশ্বের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছি। আর ভবিষ্যতেও তা করবো।

Advertisements