এই কারনেই iPhone নয় বরং বিল গেটসের পছন্দের মোবাইল অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস

বহুদিন থেকেই গুগলের অ্যান্ড্রয়েড (Google Android) এবং অ্যাপলের আইওএসের (Apple iOS) কাছে প্রতিযোগিতার দিকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ (Microsoft Windows)। প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং ব্যবহারিক স্বার্থে বাজারের বেশিরভাগ জায়গায় নিজের আয়ত্তের মধ্যে এনেছে গুগল অ্যান্ড্রয়েড এবং অ্যাপল আইওএস। এবার দেখে নেওয়া যাক মাইক্রোসফট সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates) দুটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে কোনটিকে বেছে নিয়েছেন?

 

কোন অপারেটিং সিস্টেমটিকে তিনি তাঁর পছন্দের তালিকায় স্থান দিয়েছেন? সেই বিষয়টিকে সম্প্রতি ক্লাবহাউসের (Clubhouse) ব্যবহারকারীদের সামনে তুলে ধরলেন স্বয়ং বিল গেটস নিজেই।ম্যাকরিউমার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বলা হয় বিল গেটস যখন তাঁর নতুন বইয়ের প্রচারের অংশ হিসাবে প্ল্যাটফর্মে ছিলেন ঠিক তখনই রিপোর্টার অ্যান্ড্রু সারকিন তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। গেটস কে তাঁর মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় “মাইক্রোসফ্ট মোবাইল ফোনের বাজারে অনেক পিছিয়ে পড়েছে, সেক্ষেত্রে আপনি এখন কোন ফোন ব্যবহার করেন?”

 

উত্তর দিতে গিয়ে গেটস জানিয়েছেন যে তিনি ট্রাকিং এর কাজের জন্য এবং বাড়ির বাইরে ব্যবহারের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের উপরই নির্ভর করেন। মাঝে মাঝে অবশ‌্য্ তিনি আইফোনও ব্যবহার করেন। এছাড়াও তিনি বলেছেন, স্যামসাং এর মত কিছু অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতারা মাইক্রোসফ্ট অ্যাপ্লিকেশনও ডিফল্টরূপেও চালান। সেই অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন বলেই তাঁর পক্ষে অপারেট করা সম্ভব হয়ে ওঠে।

Bill gates

আইওএসের ডিভাইসেও মাইক্রোসফ্ট এবং গুগল অ্যাপ্লিকেশন উভয়ই ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে একটি ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবহাউসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পল ডেভিসন। তাঁর মতে, অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ কে অগ্রাধিকার দিয়েছে ক্লাবহাউস অ্যাপটি। এই কথোপকথন কি যদি আপনারা শুনতে চান তাহলে নিচের ইউটিউব লিঙ্কে ভিডিওটি দেখে নিন।