বিহারে তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় জাদুঘর, রয়েছে থিয়েটার-মল সহ একাধিক সুবিধা

দেশের উন্নয়নশীল রাজ্য গুলোর মধ্যে বিহার তার নিজের জায়গা পোক্ত করে চলেছে ক্রমাগত। আজ বিহার জুড়ে রেল , সড়ক প্রভৃতি জন সংযোগ মূলক ক্ষেত্র গুলোর উন্নতি কল্পে বিভিন্ন প্রজেক্ট চলছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বড় সড়ক প্রজেক্ট – ভারত মালা প্রজেক্ট যা বিহার কেও যুক্ত করতে চলেছে। এই প্রজেক্ট দেশবাসী তথা বিহারবাসীর কাছে গর্বের বিষয় আর যা থেকে বোঝা যাচ্ছে ভবিষ্যৎ এ দেশের উন্নতিতে বিহারের যোগদান কোনো অংশে কম হবেনা। এই নিরন্তর উন্নতি যজ্ঞের মধ্যেই বিহারবাসীরা আরো একটি উপহার পেতে চলেছে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে, বিহারের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় মিউজিয়ামটি প্রায় তৈরি , যা এই বছর অর্থাৎ ২০২২ এর মাঝের দিকে সাধারণ মানুষের জন্যে খুলে দেওয়া হবে। এও শোনা যাচ্ছে যে, সারা বছর জুড়ে আরো অনেক উপহার বিহারবাসীদের জন্যে সরকার ও প্রশাসনের তরফ থেকে অপেক্ষা করছে।

এই সংগ্রহশালাটিতে বিহার ও দেশের ইতিহাসের পুঙ্খানপুঙ্খ তথ্য দেওয়া হবে যা বিহারবাসী তথা সমগ্র দেশবাসীকে আরো সমৃদ্ধ করবে সাথে নিজের দেশের সুপ্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করতে উৎসাহ যোগাবে এবং পথ প্রদর্শক হয়ে দাড়াবে।

এই দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় মিউজিয়ামটির নির্মাণ কাজ বিহারের লক্ষীসরাই জেলার বালগুদর অঞ্চলে ১.৫একর জমির ওপর চলছে যা প্রায় সম্পূর্ণ। বিহার সরকার এই নির্মাণ কল্পে ২২.৩৩কোটি টাকা খরচ করছে । শোনা যাচ্ছে এই মিউজিয়ামটিতে সাধারণ মানুষের জন্যে নানা রকম সুবিধাও প্রদান করা হবে।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ২০২০ সালের ৮ ই অগাস্ট এই তিনতলা বিশিষ্ট মিউজিয়ামটির শিলান্যাস করেন , মিউজিয়াম এর গঠনশৈলীও হচ্ছে নজরকারা। যেখানে লেসার শোয়ের ব্যাবস্থাও থাকবে যা সেখানে আগত সাধারণ মানুষদের আনন্দ প্রদান করবে।

নির্মাণ কাজের সাথে যুক্ত এজেন্সির বক্তব্য অনুসারে জানা যায় যে, মিউজিয়ামটিতে অডিটোরিয়াম থেকে শুরু করে আর্ট গ্যালারি , লেসার শো, দুই তলা জুড়ে এক্সিবিশন হল, ওপেন থিয়েটার ও সাথে কার পার্কিং এর ব্যাবস্থা ও থাকবে , যেখানে ৪০ টি গাড়ি এক সাথে পার্ক করতে পারবে।

এই মিউজিয়ামে বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন তথা লক্ষীসরাইতে পাওয়া প্রাচীন বুদ্ধের মূর্তি রাখা হবে । উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বিহারের পাটনাতে স্থিত পাটনা মিউজিয়ামকে তার ডিজাইনের জন্যে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে এ. আই. এ আওয়ার্ড এ ভূষিত করা হয়েছে, এরই মাঝে এই দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় মিউজিয়াম বিহার ও দেশবাসীর জন্যে গর্বের বিষয় হয়ে উঠতে চলেছে।