আগামী 24 ঘন্টার মধ্যে আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন,নামবে তাপমাত্রার পারদ! একাধিক জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

শীত কড়া নাড়ছে দোরগোড়ায় তার আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখা মিলেছে এর গোটা রাজ্য জুড়ে। গত দু’দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আংশিক মেঘলা আকাশে দেখা মিলেছে, আর আজ শনিবার দিন সকাল থেকেই আংশিক মেঘলা আকাশের দেখা মিলেছে।তাছাড়া আজ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা রয়েছে শহর ও শহরতলীতে। আবহাওয়া দপ্তরের তরফে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতাতে প্রায় 5 ডিগ্রী তাপমাত্রার পতন হতে পারে, 22 তারিখ রবিবার রাত থেকেই রাজ্যজুড়ে শীতের প্রভাব পড়তে শুরু করবে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে তাপমাত্রাও।

 

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে আগামীকাল থেকেই তাপমাত্রা 3 থেকে 4 ডিগ্রি কমতে শুরু করবে, তারপর ধীরে ধীরে 23, 24, 25, 26 তারিখ তাপমাত্রা 20-এর নীচে নামবে। জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় 3 থেকে 4 ডিগ্রি কমে যাবে অন্যদিনের তুলনায় শনিবার দিন তাপমাত্রা একটু বেশিই থাকবে কারণ আকাশ মেঘলা থাকার কারণে আদ্রতা জনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। রবিবার দিন থেকে জম্মু-কাশ্মীরের ধুঁকছে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্জা যার ফলে তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা দেখা মিলেছে উত্তর পশ্চিম ভারতে। আর নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণ ভারতে কিন্তু বৃষ্টির সম্ভাবনার দেখা মিলেছে।

এই মুহূর্তে বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ রয়েছে 95% যার ফলে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং সহ পার্বত্য এলাকায় মেঘলা আকাশ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা মিলেছে। দক্ষিণবঙ্গের ও বেশ কয়েকটি জেলাতে আজ শনিবার দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা মিলেছে যার মধ্যে নাম রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ 24 পরগনা, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও ঝাড়গ্রামের। মধ্যভারতের রাজ্যগুলিতে আজ শনিবার থেকেই তাপমাত্রা নামার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে রবিবার থেকে তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে যার ফলে গত কয়েক দিন ঘন কুয়াশা থাকবে নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরাতে পাশাপাশি অরুণাচল, আসাম, মেঘালয় এই জায়গাগুলিতে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনার দেখা মিলেছে।

 

আজ শনিবার দিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার 32.2 ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের তুলনায় 2 ডিগ্রি উপরে রয়েছে, তবে ন্যূনতম তাপমাত্রা 22 ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে শহর ও শহরতলীতে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক রয়েছে 98 শতাংশ এবং ন্যূনতম 60 শতাংশ।