BIG BREAKING : অমিত শাহের পর রাজ্যে আগামীকাল ভার্চুয়াল সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী..

গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করেছিলেন যদিও এক্ষেত্রে এই ভার্চুয়াল সভাটি ছিল পুরোপুরি ভাবে রাজনৈতিক। এখানে এই সভার উদ্দেশ্যে দিল্লি থেকে ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবার অমিত শাহের ভার্চুয়াল জনসভার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শিল্পপতিদের উদ্দেশ্যে আগামীকাল ICC অর্থাৎ ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের 95 তম বর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে পারেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিন সকাল 11 টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কলকাতা বণিকসভার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।

আর এটা প্রথম হবে যখন একজন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কলকাতার বনিক সভার পক্ষ থেকে নিজের বক্তব্য রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, এর আগে দেশের কোনো প্রধানমন্ত্রী এরকম কাজ করেননি। দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের জেরে দেশের অর্থনীতি এক প্রকার স্তব্ধ হয়ে গেছে যেখানে দেশের মানুষদের জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্থিক প্যাকেজেরও ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। আর এই আর্থিক প্যাকেজের মধ্যে রাখা হয়েছে কুটিরশিল্পের জন্যও একাধিক প্যাকেজ।

তবে সকল দেশবাসীর নজর থাকতে চলেছে আগামী কাল প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের দিকে কারণ কীভাবে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে আগামী দিনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে, সে বিষয়ে বড় ঘোষণা থাকতে পারে কালকের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে। যেহেতু এই মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে কোভিড পরিস্থিতি তাই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সশরীরে হাজির থাকতে পারছেন না তিনি, ভাষণ দেবেন দিল্লি থেকেই। ঠিক যেমনটা এর আগে দিল্লি থেকে কলকাতা উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আর এর জন্য কলকাতায় তৈরি হবে অধিবেশনের একটি বিশেষ মঞ্চ। সেই মঞ্চে সকল বিধি মেনে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসবেন সংগঠনের কর্তারা, তারই সাথে থাকবেন কিছু সদস্যও। এখানে অনুষ্ঠানের সূচনা করেই প্রথম বক্তা হিসেবে ভাষণ দেবার জন্য আমন্ত্রণ করা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রধানমন্ত্রী যেহেতু এই প্রথমবার কলকাতার কোন চেম্বার অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে চলেছেন,তাই স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিকে নিয়ে বিশেষ কৌতুহল বাণিজ্য মহল।সম্প্রতি দিল্লির এক শিল্প-বাণিজ্য সংগঠন সিআইআই- এর অনুষ্ঠানেও অদেহ উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদী।


যেখানে তিনি দেশের বর্তমান আর্থিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের কর্তব্য এবং বেসরকারি প্রতিস্থানগুলির ভূমিকা তুলে ধরেছিলেন দেশের জনগণের কাছে। তার পাশাপাশি বলেছিলেন সঙ্কট থেকে ভবিষ্যতে উত্তরণের সম্ভাবনাগুলো নিয়েও। আর এবার কলকাতার বাণিজ্য মহলকেউ হয়তো সেই কথাই বলবেন কিন্তু সেইসঙ্গে পূর্বাঞ্চলের বিশেষ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হয়ত আলোকপাত করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

Related Articles

Close