অস্বাভাবিক ভাবে পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার ভারত বন্ধের ডাক, গড়াবে না গাড়ির চাকা

দেশজুড়ে পেট্রোপন্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, জিএসটি (GST), E-Way Bill-সহ একাধিক দাবিতে আগামীকাল 26 শে ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দিন ভারত বনধের ডাক দিয়েছে দ্য কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (The Confederation of All India Traders) বা CAIT। আর এই সংগঠন কে সমর্থন জানিয়েছে দেশের আরও ৪০,০০০ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত প্রায় আট কোটি ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় ব্যবসায়ী।

শুধু তাই নয় এরই পাশাপাশি সেই একই দিনে পেট্রোল- ডিজেলের দাম বেড়ে চলার প্রতিবাদে ‘চাক্কা জ্যাম’-র ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া ট্রান্সপোর্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। যার ফলে এই দিন দোকানপাট বন্ধ থাকার পাশাপাশি বন্ধ থাকবে সড়ক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাও। তবে এ দিনের ধর্মঘটে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা কী হবে, সেই বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়।

 

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স সরব হয়েছে জিএসটি নিয়েও। যে সম্পর্কে ইতিমধ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, জিএসটি ব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল একটি কর ব্যবস্থা। এর ফলে দেশের ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সমস্যায় পড়ছেন। এই সংগঠনের দাবি, জিএসটি বিষয়ে কাউন্সিলে একাধিকবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হলে, কাউন্সিল সে বিষয়ে কোনও গুরুত্ব দেয়নি।

যার ফলে জিএসটি কাউন্সিলের একরোখা মনোভাব বা অবজ্ঞা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছে।আর এই যে কাউন্সিল রয়েছে তারা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির সঙ্গে কোনও সমঝোতা বা আলোচনায় যেতে চায় না, তা তাদের আচরণ থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। যার দরুনই তারা এমন একটি অপ্রীতিকর ধর্মঘটের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।

 

এই চাক্কা জ্যাম প্রসঙ্গে মহেন্দ্র আর্য যিনি কিনা অল ইন্ডিয়া ট্রান্সপোর্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তিনি জানান দেশের প্রতিটি রাজ্যের ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলির পক্ষ থেকে এ দিন ধর্মঘটের সম্মতি মিলেছে। যার ফলে আগামী ২৬ শে ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টার জন্য কোনও পণ্যবাহী গাড়ি চলবে না।”