মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নয়া পদক্ষেপ! চপ শিল্পে সাজতে চলেছে বাংলা, বাঙালির মনে খুশির জোয়ার

মুখ্যমন্ত্রীর নয়া শিল্পসন্ধানের তালিকায় এবার যুক্ত হলো’ চপ শিল্পের’ নাম। আর এই শিল্পের উন্নতিতে জোয়ার আনতে মুখ্যমন্ত্রী জারি করেছে এক নয়া নির্দেশিকা। চপ বা তেলেভাজার দোকানে একই তেল বারবার ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে প্রায়ই।আর এতে শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ে স্বাভাবিকভাবেই। কারণ একই তেল ব্যবহার করলে তাতে কার্বনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এবার এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর ঘটনা রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্যের ফুড সেফটি সেল।

ফুড সেফটি সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার থেকে একই তেল দু’বারের বেশি ব্যবহার করতে পারবেন না ব্যবসায়ীরা। তবে রেস্তোরাঁগুলির ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ কিছুটা কম। মূলত চপ,সিঙ্গারা এবং তেলেভাজার দোকান গুলির ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ বেশি ওঠে। এই অস্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহারের ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে সাধারণ মানুষ। তাই এবার রাজ্য এই বিষয়ে আরো বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে।

প্রাথমিকভাবে, বিশেষত যে দোকানগুলোতে বা রেস্তোরাঁয় দিনে ৫০ কেজির বেশি তেল ব্যবহৃত হয়, তাদের উপর বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পরবর্তীকালে সব দোকানের জন্যই এ ধরনের নিয়ম লাগু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কোন দোকানের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ধরা পড়লে তার লাইসেন্স ও বাতিল করে দিতে পারে রাজ্য সরকার।

স্বাভাবিকভাবেই এধরনের নিয়ম লাগু হলে উপকৃত হবেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই, মনে করছেন রাজ্য সরকার। কারণ অস্বাস্থ্যকর বলে অনেক চপপ্রেমীরাই তেলেভাজা এড়িয়ে চলেন তাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে। তাই এই নিয়ম লাগু হলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। বাড়বে চপ সিঙ্গারা বা তেলেভাজা বিক্রির হার। আর তাতে লাভবান হবে বিক্রেতারাও।

তবে এই নিয়মের কারণে, দোকানদাররা যেন অধিক ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে। জানাচ্ছে রাজ্য সরকার। আশা করা যায়, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েই উপকৃত হবেন। বাঙালির মনে আসবে এক খুশির জোয়ার।