অ্যালোভেরা-তে রয়েছে একাধিক বিস্ময়কর উপকারিতা, যা জানলে আপনিও উপকৃত হবেন

আমাদের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য ভেষজের ব্যবহার আমরা সেই প্রাচীনকাল থেকেই জেনে আসছি। শরীরের খুঁটিনাটি অসুখ নিরাময়ের জন্য আমরা যদি ভেষজের সাহায্য নিই তাহলে খুবই ভালো। কারণ এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কিছু নেই। আজ আমরা আলোচনা করব রূপচর্চার জন্য অ্যালোভেরার গুনাগুন।

রূপচর্চার কাজে আমরা কেমন ভাবে অ্যালোভেরা ব্যবহার করব এবং অ্যালোভেরার বিভিন্ন গুনাগুন সম্পর্কে আলোচনা করার আগেই একটু বলে রাখি অ্যালোভেরা কি জিনিস। অ্যালোভেরা হল এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ বাংলাতে যার নাম ঘৃতকুমারী। অ্যালোভেরার মধ্যে বিভিন্ন গুনাগুন বর্তমান সেগুলো হল যেমনঃ ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি। আর এইগুলি আমাদের মানব শরীরে অভ্যন্তর এবং বাহ্যিক দুটি ক্ষেত্রেই সমান ভাবে কাজ করে।অ্যালোভেরার উপকারিতা

প্রথমে অ্যালোভেরার (aloe vera) পাতা সংগ্রহ করুন। অ্যালোভেরার পাতাগুলিকে পরিষ্কার জলে ধুয়ে পরিষ্কার কোনো কিছু দিয়ে টুকরো করে নিন। পাতার ভেতরে এক ধরনের তরল পদার্থ থাকে। সেটাকে চামচ দিয়ে বের করে দুই হাত দিয়ে জলের মতন নরম করে মুখে লাগিয়ে নিন। তবে এলোভেরা ব্যবহারের আগে মুখটাকে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা লাগানোর পর তুলো দিয়ে মুখটাকে মেসেজ করুন 5 মিনিট পর্যন্ত। অ্যালোভেরা ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে মুখটি জল দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন।

ভালো ফল পাওয়ার জন্য অ্যালোভেরার রসের সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ, এক চামচ লেবুর রস, মধু, শুকনো কমলালেবুর খোসার গুড়া,চালের গুঁড়া, গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। এগুলি ত্বকের পক্ষে আরও শুভ ফল দেবে।অ্যালোভেরা

মুখে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের কার্যকারিতাঃ-

  • সমস্ত ধরনের ত্বকেই যেমন তৈলাক্ত, শুষ্ক এবং সেনসিটিভ সব ধরনের ত্বকেই এলোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।
  • অ্যালোভেরার রস মানব শরীরের ত্বককে সতেজ রাখে।
  • নিয়মিত এলোভেরা ব্যবহার করলে ত্বকের বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।
  • ত্বকের বলিরেখা দূর করতে, ব্রোনো নিরাময়ের কাছে অ্যালোভেরার গুণ অপরিসীম।
  • মানব শরীরে অ্যালোভেরার গুনাগুন আলোচনা করেও শেষ করা যাবে না সংক্ষিপ্ত কিছু বিষয় নিয়ে আমি উপরে আলোচনা করেছি। যদি এই এলোভেরা ব্যবহার করে আপনাদের ত্বকের উপকার হয় তাহলে আমি খুবই খুশি হব।