21 এর আগে জেলাগুলিতে নতুন মুখ আনতে চাইছে পিকে, কোচবিহার সহ গোটা উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের রদবদলের সম্ভাবনা..

রাজ্যের শাসক দল অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেস 2021 এ নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে মরিয়া। অপরদিকে আবার রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজ্যকে দখল করার জন্য। এই দুই টানা পোড়েনের মধ্যে পিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোচবিহার সবকটা উত্তরবঙ্গের নতুন মুখ আনার পরামর্শ দিয়েছেন। সম্প্রতি তৃণমূলের তরফ থেকে প্রশান্ত কিশোর কে ভোট বিশেষজ্ঞ হিসেবে রাখা হয়েছে।

তিনি চান 2021 এর আগেই উত্তরবঙ্গের প্রত্যেকটি জেলায় সাংবিধানিক রদবদল আনতে। এবং এটি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দলের পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর এই ধরনের পরামর্শ দেওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর বঙ্গের সমস্ত জেলাগুলির সর্বশেষ অবস্থার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। শুধু তাই নয় সমস্ত জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে ট্রেনে করে উত্তরবঙ্গের জেলা গুলিতে যাওয়া সম্ভব নয় তাই সড়কপথে তাদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

যদিও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে দলীয় সংগঠন করা নিয়ে বরাবরই ভেবে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু তা কোনো কারণ বশত হয়ে উঠছে না। কোচবিহার,শিলিগুড়ি এবং দার্জিলিং এর মতো জেলাগুলিতে আগে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে নানান ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তবুও সামাল দেওয়া যায়নি। এছাড়াও আরো অন্যান্য জেলাগুলিতে অনেক সমস্যা সমাধান হয়নি এখনো পর্যন্ত।আপনাদের জানিয়ে দি, গতবারের লোকসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস খুব একটা ভালো ফলাফল করতে পারেনি।

তাই স্বাভাবিকভাবেই 2021 এর ভোটে কিছুটা হলেও চাপে রয়েছে শাসক দল। তাই দলের পরামর্শ দাতা হিসেবে পিকে কে আনা হয়েছে। পিকের পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঐ সমস্ত জেলাগুলিতে সংগঠনের রদবদল চাইছিল। তবে শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নয় সুব্রত বক্সীও সমস্যা মেটানোর জন্য একাধিক বার সাংবিধানিক বৈঠক করেছেন কিন্তু কোনভাবেই এই সমস্যা মেটাতে পারেননি তিনি। এমন কী নেত্রী একাধিকবার জেলা দলীয় সভায় সরাসরি জেলার নেতাদের নাম করে হুঁশিয়ারি দিলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তবে তৃণমূলের একাংশের মতে, জেলা গুলিতে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর পর সমস্যার সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা রয়েছে।