বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে শহীদ হলেন বিজয়বান সিং! প্রতিশোধের আওয়াজ উঠছে ভারতজুড়ে।

যেমন কী আমরা জানি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এক অনবদ্য ইতিহাসের সাক্ষী রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামসহ সমগ্র ভারতবাসী, ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত সরকার এবং বিএসএফ ও ভারতীয় সৈন্যদের কিংবদন্তি সাহায্য-সহযোগিতা ও আত্মত্যাগের সফল পরিণতি হিসাবে ফল প্রকাশ পেয়েছিল বাংলাদেশ।আর এটা বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসী এতটা ত্যাগ ও ভালোবাসা বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।শুধু তাই নয় সেই সময় ভারত বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল নিজেদের কাছে।

সাথে সাথে দিয়েছিল মুক্তি যুদ্ধের প্রশিক্ষণ ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রও। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য করা হয়েছিল সুপারিশ। এবং ডিসেম্বর মাসে যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছে। আমেরিকা, ব্রিটেন, চীন সহ পৃথিবীর অনেক শক্তিধর দেশই বাংলাদেশের বিপক্ষে ছিল। ভারত এবং রাশিয়ার শক্ত অবস্থানের কারনে তারা যুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেনি। তাই এটা বললেও ভুল হবে না যে ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে তাদের মুখের কাছে এনে দিয়েছিল। তবে বরাবরই লক্ষ্য করা গেছে বাংলাদেশ সেসব কিছুকে ভুলে গিয়ে নিজেদের বর্বরতার পরিচয় দিয়ে আসছে।

বরাবরই এই বাংলাদেশিরা নিজেদের বাঙালি হিসেবে খুব গর্ববোধ করে থাকে, সাথে সাথে তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বলেও দাবি করে থাকে নিজেদের। তবে গতকাল আরো একবার বাংলাদেশীদের এই অশিক্ষিত ও বর্বরতা চরিত্র প্রকাশ পেল সকল ভারতবাসীর কাছে।আপনাদের বলে রাখি গতকাল এক বাংলাদেশী সেনা ভারতের জওয়ানের ওপর গুলি চালিয়েছে যাতে ভারতীয় এক জওয়ান বলিদান হয়েছে এবং দুজন এখনো গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। জলঙ্গি সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিরা এই গুলি চালিয়েছে।

গতকাল মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছিল তার সমাধানের জন্য একটি ফ্ল্যাগ মিটিং ডাকা হয়েছিল।কিন্তু সেই ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে নিজেদেরকে বাঙালির শ্রেষ্ঠ জাতি বলে গর্ববোধ করা বাংলাদেশীরা ভারতের জওয়ানদের ওপর গুলি চালিয়ে একজন বিএসএফ জওয়ানকে হত্যা করেন।বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড এর হামলায় শহীদ হন ভারতের বীর জওয়ান বিজয়বান সিংক।তবে বলে রাখি এই ফ্ল্যাগ মিটিংটা আয়োজিত করা হয়েছিল এই কারণে বাংলাদেশে ভারতের এক জেলে প্রণব মন্ডল কে ধরে রেখেছিল বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীরা এই ফ্ল্যাগ মিটিং করেই তাকেই ছাড়াতে গিয়েছিল ভারতীয় জওয়ানেরা। তবে ফ্ল্যাগ মিটিং খুব সাধারণ এবং শান্তির সাথে হয় কিন্তু তারপরই প্রকাশ পায় বাংলাদেশীদের বর্বরতা পরিচয়।

তবে বলে রাখি পাকিস্তানের সাথে ভারতের প্রায় অনেক সময়ই ফ্ল্যাগ মিটিং হয়ে থাকে কিন্তু সে ক্ষেত্রে এমন ঘটনা খুব কমই হয়। তবে এরপর যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি অনেক নিন্দনীয় ঘটনা কারণ এরপরে লক্ষ্য করা যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে বাংলাদেশীরা এটাকে তাদের বড় জয় বলে আনন্দ উৎসব করতে। বাংলাদেশের গুলিবর্ষণের ফলে মাথায় গুলি লাগে এই বিএসএফের মেজররের৷ যার ফলে এই ভারতীয় বীর জওয়ান বিজয়বান সিং ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। তবে বাংলাদেশের এরকম এক আচরণকে নিয়ে ভারতে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে। কখন বাংলাদেশকে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে তার সেই আলোচনাও উঠে আসছে।

তবে বাংলাদেশ এটা আজ ভুলে গেছে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সেনা যদি বাংলাদেশকে সাহায্য না করতো তাহলে বাংলদেশ আজও স্বাধীন হতো না। তবে এখন সারা দেশ জুড়ে এই যে ঘটনা ঘটেছে তাতে বাংলাদেশ কে পাল্টা জবাব দেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন বলে দাবি উঠেছে। নাহলে সেটা জওয়ানদের বলিদানকে অপমান করা হবে।

Related Articles

Close