সম্পর্কের মধুরতা বজায় রাখতে রাম মন্দির নির্মাণ বন্ধ রাখার আবেদন বাংলাদেশের..

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই রাম মন্দির নির্মাণের কাজ অনেক বছর ধরে আটকে ছিল। আর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেওয়ার পরে আর দেরি না করে শুরু হয়ে যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ। আগষ্ট মাসের 5 তারিখে রাম মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বিষয়ে রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, ভারতকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার থেকে বিরত থাকা উচিৎ।

কারন এর জন্য প্রতিবেশী দেশের সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিনষ্ট হতে পারে। সম্প্রতি 5 ই আগস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস হতে চলেছে। আর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরোধীদের এটি একটি রাজনৈতিক অবসর প্রদান করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর বলেন যে, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক যাতে কোনভাবেই খারাপ না হয় তার জন্য দুই দেশকেই লক্ষ্য রাখতে হবে।

তাই ভারত এবং বাংলাদেশ দুই দেশকেই দেখতে হবে যে দুই দেশের মধ্যে মধুর সম্পর্ক যেমন না নষ্ট হয়।বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী মোমেন আরো জানান যে, ভারত এবং বাংলাদেশে দুই দেশকেই দায়িত্ব নিতে হবে যে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে যাতে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। এছাড়াও দুই দেশকে দেখতে হবে যাতে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ না হয়। অপরদিকে আবার কিছুদিন আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়।

বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী এই কথা নিজে স্বীকার করে নিয়েছেন যে তাদের মধ্যে কথা হয়েছে। এই নিয়ে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে কী হতে পারে। তাই বাংলাদেশ চেষ্টা করছে যে ভারতে যাতে রাম মন্দির তৈরি নির্মাণ কাজ আটকে পড়ে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এটা কোনভাবেই হতে দেবে না।