কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, অনুচ্ছেদ 370 বিলোপ নিয়ে সমর্থন প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের..

জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) মাধ্যমে মোদী- অমিতশাহ বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছেন৷ গতকাল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আর এবার কাশ্মীর ইস্যু কে নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক তরফ থেকে বেরিয়ে এলো বার্তা যেখানে তারা জানিয়েছে অনুচ্ছেদ 370 ধারা বিলোপ করার সিদ্ধান্ত সে দেশের নিজস্ব আভ্যন্তরীণ বিষয়।

অর্থাৎ আমেরিকা,রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স এর মতোই এবার ভারতের প্রতিবেশীদেশ বাংলাদেশও ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ধারা 370 বিলোপ করা বিষয়টি ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় এই বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার তাদের নেই।পাশাপাশি, শেখ হাসিনা সরকারের বার্তা শান্তি, স্থায়িত্ব এবং উন্নয়নের পক্ষে বরাবরই সওয়াল করেছে বাংলাদেশ। সব দেশের জন্য এই বিষয়গুলি অগ্রাধিকার দেয় তাদের দেশ।

গতকাল মঙ্গলবার দিন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টার ধরে বৈঠক করেন৷আর এই দিন এই বৈঠকের মধ্যেই জয়শংকরকে নাগরিকপঞ্জি এবং বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী সংক্রান্ত নান প্রশ্ন করা হয়। তবে তার জবাবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন নাগরিকপঞ্জি এনআরসি একেবারে ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় আর এই নিয়ে যেখানে কোন কথা বলার প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে অসমের একটি বেসরকারি সংস্থা-সহ কয়েকটি পক্ষ বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল। তারই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআরসি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আরো বলে রাখি অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এদেশে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর সেই আমন্ত্রণ প্রত্রটি গতকাল মঙ্গলবার দিন শেখ হাসিনার কাছে তুলে দেন জয়শঙ্কর।আর বিদেশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই জয়শঙ্করের প্রথম বাংলাদেশ ভ্রমন। প্রসঙ্গত, অসমের একটি বেসরকারি সংস্থা-সহ কয়েকটি পক্ষ বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল। তারই প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআরসি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছেঅন্যদিকে এইদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বাস দেন যে তার আমলেই তিস্তা চুক্তি করা হবে।


আর সেই কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিদেশমন্ত্রী জানান সেই প্রতিশ্রুতি পালন করার জন্য তাঁরা বদ্ধপরিকর এবং সেই মতো দিল্লি কাজ করছে। তিনি আরও জানান, তিস্তা চুক্তির মাধ্যমে দু’দেশ 54টি নদীর জল বণ্টন সমস্যার মীমাংসা করতে নয়া সূত্র খুঁজছে। তাছাড়া এই দিনটি নেয়ারও আশ্বাস দেন যে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ব্যাপারেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

Close