গোটা শরীরে একাধিক জায়গাতে বলের আঘাত তাও অবিচল থাকলেন পূজারা, কুর্নিশ গাভাসকারের

শুভমান গিল, ঋষভ  পন্থ,  এই দুই তরুণ ক্রিকেটার ভারতকে দুর্দান্ত জয় এনে দিয়েছেন।  টেস্ট সিরিজে প্রথম জন  অল্পের জন্য শতরান পাননি আর দ্বিতীয় জন শেষ পর্যন্ত মাঠে টিকে থেকেছেন এবং দলের জয় সুনিশ্চিত করেছেন।  কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার সেইসঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন অন্য আরেকজন ব্যাটসম্যানের লড়াই।  চেতেশ্বর পুজারা।  হাফ সেঞ্চুরি করেছেন, নিজের কেরিয়ারের সবচেয়ে ধীর অর্ধশতরান।  কিন্তু ওই সময়টা চেতেশ্বর যদি রুখে দাঁড়াতেন তাহলে টিম ইন্ডিয়ার জয় সুনিশ্চিত করা আরও কঠিন হত।

কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, ” পূজারার কথা ভুলে যাবেন না।  আমি নিশ্চিত মাঝের সময়টা যদিও খেলাটা না ধরত তাহলে ভারতের জয় পাওয়াটা সহজ হত না। স্টার্ক,কামিন্স,হ্যাজেলউড টানা ওঁর শরীর লক্ষ্য করে বল করে গিয়েছে। হেলমেটে লেগেছে,গ্লাভসে লেগেছে, পাঁজরে লেগেছে। কিন্তু লড়াই ছাড়েনি। অসাধারণ সংকল্প দেখিয়েছে। নতুন বল নেওয়ার আগে পর্যন্ত ভারতের জয়ের রাস্তা নিশ্চিত করেছিল চেতেশ্বর”।

শুধু সানি নন, অজয় জাদেজা থেকে শুরু করে গ্লেন ম্যাকগ্রা, শেন ওয়ার্ন প্রত্যেকেই পূজারার প্রশংসা করেছেন। দেশের স্বার্থে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্বার্থে সবচেয়ে কঠিন স্পেল তিনি সামলেছেন। শরীরে অসংখ্য আঘাত নিয়েও মাটি কামড়ে ছিলেন। তাঁর শরীরে একের পর এক আঘাত করেছে অস্ট্রেলিয়ান পেসার। রাহুল দ্রাবিড় ইনিংসটা দেখলে খুশি হতেন। তাঁর অবসর এর পর ,” দ্যা ওয়াল” তকমা পাওয়ার যোগ্যতা যদি কারও থেকে থাকে সেটা চেতেশ্বর পূজারা।

কেন্দ্রের বড় সিদ্ধান্ত বদলে ফেলা হল হাওড়া কালকা মেল-এর নাম, পরিবর্তে নতুন নাম নেতাজি এক্সপ্রেস

ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের পর গিল,পন্থ দের ইনিংস নিয়ে যতটা চর্চা হচ্ছে, পূজারার ইনিংস নিয়ে ততটা চর্চা হয়নি। তিনি  কিছুটা আড়াল থেকেই লড়াই করে যান। জয়ের  যাঁর ইনিংস ছাড়া জয় অসম্ভব কিন্তু যার জয় তেমন হেডলাইন হয় না ।দু বছর আগে অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তিনটি শতরান করে সবচেয়ে সফল ছিলেন তিনি। এবার  শতরান করতে না পারলেও কঠিন সময়ে দলে নিজের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন।