দেশনতুন খবরবিশেষলাইফ স্টাইল

দুই বছরের মধ্যে চীনা পণ্যের নামগন্ধ মিলিয়ে দিতে পারি আমরাঃ যোগগুরু বাবা রামদেব..

চীন এবং ভারতের মধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে সংঘাত ছিল বরাবরই। এর আগে 1962 সালের চীনের সাথে একবার ভারতের বড় যুদ্ধ হয়। এরপরে ভারতের সাথে চীনের কোনরকম যুদ্ধ হয়নি। কিন্তু এবছরে সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে ফের সংঘর্ষ বাধে। গত সোমবার দিন রাতে যখন দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে তখন ভারতীয় 20 জন জওয়ানের শহীদ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে আর তারপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এছাড়া করোনাভাইরাস নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আমেরিকা সহ আরও অন্যান্য দেশ গুলি।

ভারত চীনের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ দিনদিন বেড়েই চলেছে যার ফলে সকল ভারতবাসী ক্ষোভে ফুঁসছে।সকল ভারতবাসী চাইছে চীনতে শায়েস্তা করতে যার দরুন দেশের সকল মানুষ চীনা পণ্য বহিষ্কার করার আন্দোলনে যোগদান দিয়েছেন। ভারতের ব্যবসায়িক – The Confederation of India Traders চীনা পণ্য বয়কট করার ডাক দিয়েছে। অন্যদিকে এখন বাবা রামদেবের তরফ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে এক্ষেত্রে যেমনটা আমরা পাকিস্তানের সাথে ব্যবহার করে থাকি ঠিক তেমনটা ব্যবহার করতে হবে চীনের সাথেও।

এবার পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ এর সংস্থাপক তথা যোগ গুরু বাবা রামদেব চীনকে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বড়োসড়ো আবেদন জানিয়েছেন তিনি বলেছেন চীন কখনই ভারতের বন্ধু হতে পারে না। শুধু এই প্রথম নয়, চীন বরাবরই ভারতের সাথে প্রতারণা করে এসেছে আর আগামী দিনেও এরকম কাজ করতে থাকবে তাই ওদের জব্দ করার প্রয়োজন আছে। একটি বেসরকারি চ্যানেলে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাবা রামদেব জানান এবার সময় এসে গেছে চীনকে তার ভাষাতেই কড়া জবাব দেওয়ার।

তার পাশাপাশি বাবা রামদেব সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আবেদন করে জানান তারা যেন এরকম এক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় একতার খাতিরে সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে চীন ও পাকিস্তানকে উচিত জবাব দেয়। তার পাশাপাশি ভারত সরকারকে এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেবার কথাও জানিয়েছেন তিনি। যোগ গুরু বাবা রামদেব বলেন চীন অনেক বছর পর আজ ভারতের সামনে এরকম এক দুঃসাহস দেখিয়েছে।আর উনি বলেন যদি এইবার চীনতে উপযুক্ত জবাব না দেওয়া হয় তাহলে গোটা বিশ্বের সামনে ভারতের সম্মান কমে যাবে। রামদেব বলেন চীনের সাথে করা সমস্ত চুক্তি বাতিল করতে হবে এবং সীমান্তেও যে সমস্ত রকম চুক্তি করা হয়েছে সেগুলিও বাতিল করে দিতে হবে।

Related Articles

Back to top button